গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে, ২৮ নয়াপল্টন বিএনপি পার্টি অফিসের পাশে ৩য় তলায় বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামালের অফিসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিতে একটি মানবিক ও সামাজিক সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংস্থার নামকরণ করা হয় “বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদ” এবং ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে আরও দুটি সভার মাধ্যমে কর্মপরিকল্পনা, উপদেষ্টা পরিষদ ও পৃষ্ঠাপোষক নির্ধারণ করা হয়।
উক্ত কমিটির প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্তরা:
আহ্বায়ক: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব, জিয়া পরিবারের আস্থাভাজন প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া
সদস্য সচিব: ছাত্র সংগঠনের সোনালী অতীতের অধিকারী, সাইফ মাহমুদ জুয়েল
সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: মোঃ রফিকুল ইসলাম জামাল
মুখ্য সমন্বয়ক ও সংগঠক: ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির
যুগ্ম আহ্বায়করা: ফরিদা ইয়াসমিন, ডা. এ বি সিদ্দিক, জাহাংগীর আলম, মোঃ শামীম মিয়া, প্রফেসর ড. লাভলী নাহার, ড. মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, ডাক্তার মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন, মোঃ সাদেক আহমেদ ভুইয়া, মোঃ মহসিন হোসেন হাওলাদার, প্রযুক্তিবিদ জোনায়েদ পাটোয়ারী, মোহাম্মদ ফয়েজ আহমেদ চৌধুরী, ডাক্তার নাজনীন আহমেদ
নির্বাহী সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন: ড. এ এস এম রহমান তনু, এছাহক আলী, আবু সাঈদ, ডাক্তার মামুনুল ইসলাম চৌধুরী, সোহেল আহমেদ, মঞ্জুর হোসেন ঈসা, মো: আমজাদ হোসেন ভুইয়া, ইসমাইল হোসেন তালুকদার খোকন, ফয়সাল আহমেদ সোহেল, মঞ্জুর রহমান ভুইয়া, এস কে নোমান, মোহাম্মদ লোকমান হোসেন, মোঃ আব্দুর রহিম আকন, মোঃ আব্দুর রহমান, মোহাম্মদ রফিক আলী, কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ বাদশা ভাসানী, তালাত মেহেজাবিন চৌধুরী নিশি, জাকারিয়া হোসেন ইমন, ডা. মো: মাইনুল ইসলাম বাদল, মোহাম্মদ সবুজ, হাবিবুর রহমান হাবিব, মিসেস নিপা আক্তার, মিসেস বিথী আক্তার, মিসেস রত্না আক্তার, ডাক্তার এস এম শাহীন, ডাক্তার আব্দুল কুদ্দুস প্রমুখ।
সংগঠনের উদ্দেশ্য:
বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীনতা, গনতান্ত্রিক ও দেশপ্রেম, নীতি ও মূল্যবোধকে স্মরণ করা
নারী শিক্ষার উন্নয়ন
এতিমদের পুনর্বাসন
মুক্তিযুদ্ধ ও সকল গনতান্ত্রিক আন্দোলনের স্মরণ ও সংরক্ষণ (যেমন: ১৯৯০ ও ২০২৪ সালের আন্দোলন)
সর্বস্তরের জনহিতকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা
সংগঠন সম্পূর্ণভাবে অরাজনৈতিক এবং মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত থাকবে।

