জাবেদ শেখ, শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
দুই দশকের বেশি সময় ধরে বেহাল থাকা শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের সংস্কারকাজ অবশেষে শুরু হয়েছে। এক সময়ের সরু সড়ক এখন ৩৪ ফুট প্রশস্ত করা হচ্ছে। তবে সড়কের মাঝখানে থাকা আটটি বিদ্যুতের খুঁটি না সরিয়েই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এতে যান চলাচলে ভোগান্তির পাশাপাশি দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চালক ও স্থানীয়রা।
সড়ক বিভাগ জানায়, পদ্মা সেতু হয়ে শরীয়তপুর থেকে ঢাকায় সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ২০২০ সালে ২৭ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্প অনুমোদন পায়। ভূমি অধিগ্রহণ ও নির্মাণ মিলিয়ে ব্যয় ধরা হয় ১ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা। তিনটি প্যাকেজে প্রকল্পের কাজ চলছে, যদিও গত সাত বছরে কাজের গতি ছিল ধীর।
কর্মকর্তারা জানান, সড়ক প্রশস্ত হওয়ায় সড়কের ভেতরে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি সরানো জরুরি। এক মাস আগে পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগকে লিখিতভাবে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই খুঁটিগুলো রেখেই ঢালাইসহ নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, সেনেরচর ইউনিয়নের মানিকনগর এলাকায় দুটি এবং মহিউদ্দিন হাজির কান্দি এলাকায় ছয়টি বিদ্যুতের খুঁটি সড়কের ভেতরেই রয়েছে। কাজ শেষ হলে এসব খুঁটি বড় ঝুঁকির কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।
জাজিরার বাসিন্দা মান্নান শেখ বলেন, দীর্ঘদিন পর সড়কের কাজ শুরু হওয়ায় সবাই খুশি। কিন্তু খুঁটিগুলো এখনই না সরালে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা বাড়বে। প্রাইভেটকার চালক মোশাররফ হোসেন বলেন, হাইওয়ে সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখে কাজ করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। জেলা সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান জানান, একাধিকবার জানানো হলেও বিদ্যুৎ বিভাগ কোনো উদ্যোগ নেয়নি। মানুষের ভোগান্তি কমাতে বাধ্য হয়েই কাজ শুরু করা হয়েছে।

