স্টাফ রিপোর্টার: আব্দুস সালাম মোল্লা
চরভদ্রাসনে ভ্রাম্যমান আদালতে ভেকু বিনষ্ট করার ঘটনা নিয়ে ভেকু মালিক সাংবাদিকদের নামে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করায় সংবাদকর্মীরা বিব্রত হয়েছেন।
জানা গেছে, চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জালাল উদ্দিনের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার জায়েদ হোসেন পুলিশ ফোর্সের সঙ্গে গত শুক্রবার চরভদ্রাসন উপজেলার মাথাভাঙ্গা এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতে ভেকু বিনষ্ট করেন। বিষয়টি জাতীয় দৈনিক মাত্রা পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া ভিডিও রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে প্রকাশ হয়।
তবে ভেকুর মালিক ক্ষিপ্ত হয়ে চরভদ্রাসন থানায় দুই সাংবাদিকের নামে ভেকু ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই সময়ে দুই সাংবাদিক ভ্রাম্যমান আদালতে উপস্থিত ছিলেন না এবং তাদের ভেকুর মালিকদের সঙ্গে দীর্ঘদিন কোনও সম্পর্ক ছিল না।
উপজেলা সহকারী কমিশনার জায়েদ হোসেন এ বিষয়ে বলেন, “দুই সাংবাদিক সেখানে ছিলেন না। সেখানে অবৈধ ভেকু কিভাবে চলবে?” তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই, তাই মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন জানান, “অবৈধ মাটি উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত ভেকুর মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন জানান, “ভেকুর মালিক রায়হান থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্তে দেখা গেছে, সাংবাদিক দুজনের সঙ্গে চাঁদাবাজি বা ভেকু সংক্রান্ত কোনো সম্পর্ক নেই।”
চরভদ্রাসন প্রেসক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিকও বলেন, “ফরিদপুরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে সাংবাদিকরা খবর জানতে চেয়েছেন। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
এদিকে স্থানীয় সুশীল সমাজ সাংবাদিকদের সম্মানহানি রোধ এবং অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি কাটার কাজ বন্ধ করতে উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।
