আবু জাফর বিশ্বাস বরিশাল ব্যুরো:
বরিশাল আদালতকক্ষে ভাঙচুর ও বিচারককে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের ঘটনায় বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনসহ বিএনপিপন্থী ৯ আইনজীবী হাইকোর্টে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তাদের ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণ করে আদালত তাদের ক্ষমা করেছেন।
মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের সামনে হাজির হয়ে তারা ক্ষমা চান। এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি একটি ফৌজদারি মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুসকে জামিন দেওয়াকে কেন্দ্র করে আদালতকক্ষে ভাঙচুর এবং সংশ্লিষ্ট বিচারক সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, অভিযুক্ত আইনজীবীরা আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলে আদালত তা গ্রহণ করে তাদের ক্ষমা করে দেন।
ক্ষমা প্রার্থনাকারী অন্য আইনজীবীরা হলেন— বরিশাল বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মির্জা রিয়াজুল ইসলাম, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল কালাম আজাদ ও নাজিমুদ্দিন পান্না, অ্যাডভোকেট মহসিন মন্টু, মিজানুর রহমান, আবদুল মালেক, সায়েদ এবং হাফিজ উদ্দিন বাবলু।
এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের দপ্তর থেকে পাঠানো একটি চিঠি এবং বরিশাল মহানগর দায়রা জজ মীর মো. আমতাজুল হকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (সুয়োমোটো) তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন।
রুলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার কার্যক্রম শুরু করা হবে না এবং এ ধরনের ঘটনার জন্য কেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না।

