Bangla FM
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • কলাম
  • ভিডিও
  • অর্থনীতি
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • প্রবাস
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
Bangla FM

পদ্মা সেতুর মালামাল বিক্রির খবর অনুসন্ধানে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা!

Bangla FMbyBangla FM
১০:৫৫ am ১৯, মার্চ ২০২৫
in সারাদেশ
A A
0

শাওন বেপারী 

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ

পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামে শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা বিভিন্ন যন্ত্রাংশ অবৈধভাবে বিক্রয় করার বিষয়ে তথ্য চাওয়ায় শরীয়তপুরের দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও ঐ মামলায় স্থানীয় আরো ৪ জনকে আসামী করা হয়েছে।

মামলার উল্লেখিত আসামীরা হলেন, উপজেলার নাওডোবা এলাকার তপু ঢালী, সুমন, জাহিদ, বাদশা শেখ ও জাজিরা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সংবাদ শরীয়তপুর প্রতিনিধি  মো. পলাশ খান এবং জাজিরা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আজকের দর্পণ শরীয়তপুর প্রতিনিধি শাওন মিয়া।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পদ্মা সেতু প্রকল্পে কাজ করা চীনা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেড শুল্কমুক্ত সুবিধায় তাদের চাহিদা মত ২০১৫ সাল হতে পরবর্তি ৯ বছরে প্রায় ১০৩ মিলিয়ন ডলার বা এক হাজার ১৪৫ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি, যানবাহন ও আনুষঙ্গিক পণ্য আমদানি করেছে। শর্ত ছিল, এসব পণ্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশের কারো কাছে বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবে না। পদ্মাসেতু প্রকল্পের ‘রিভার ট্রেনিং ওয়ার্কস’ এর আওতায় ২০১৫ সাল থেকে মোট এক হাজার ৮১০টি চালানে এসব পণ্য দেশে এসেছে। তার মধ্যে এক হাজার ৪৭১টি চালান এসেছে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ব্যবহারের জন্য এবং বাকি ৩৩৯টি চালান এসেছে পুনঃরপ্তানির শর্তে।

আরও জানা যায়, সিনোহাইড্রো গত ১১ বছরে একটি পণ্যও ফেরত নেয়নি। প্রতিষ্ঠানটি আমদানি বিধি লঙ্ঘন করে বাংলাদেশে এসব নির্মাণ সামগ্রী ও ভারী যন্ত্রপাতি বিক্রি করেছে গত ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত। স্থানীয় বাজারে অনুমতি পাওয়ার আগ পর্যন্ত অবৈধভাবে বিক্রির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কর ও আমদানি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করলেও সরকারি খাতায় এর কোনো তথ্য নেই। আমদানি করা এসব পণ্যের শুল্ক হার ছিল আমদানি মূল্যের ২৫ থেকে ৬৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেড শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানিকৃত মালামাল বিক্রয়ের অনুমোদন  পাওয়ার আগে বেশ কয়েকবার তাদের জাজিরা ইয়ার্ড হতে গোপনে মালামাল বিক্রয়ের চেষ্টা করেছিল। পরে তা সেতু কর্তৃপক্ষ জানতে পেরে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানাকে অবগত করায় সর্বশেষ গত ২০ ফেব্রুয়ারি একটি ট্রাক আটক করে স্থানীয়রা থানায় নিয়ে যায়। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকার্তা সেটি আদালতকে অবগত না করে সিনোহাইড্রো কর্পোরেশনের জাজিরা ইয়ার্ডে ফিরিয়ে দেয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি সকালে জাজিরার পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকায় সিনোহাইড্রো করপোরেশনের ইয়ার্ড হতে ভারী ট্রাক ভর্তি মালামাল নিয়ে বের হলে স্থানীয়রা তা আটক করে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় নিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে সেখানে সংবাদকর্মীরা গেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকার্তা(ওসি) নকিব আকরাম হোসেন জানায়, স্থানীয়রা পদ্মা সেতু প্রকল্পে ব্যবহৃত কিছু মালামাল আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। পরে সিনোহাইড্রো কোম্পানির পক্ষ থেকে তাকে একটি নথি প্রদান করা হয়েছে যাতে ওই মালামাল বিক্রয়ের বিষয়ে অনুমতি দেয়া হয়েছে। পরে সংবাদকর্মীরা ঐ নথিপত্র সংগ্রহ করে থানা থেকে চলে যায়। পরবর্তিতে জানা যায়, আটককৃত ঐ ট্রাকভর্তি মালামাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকার্তা নকিব আকরাম হোসেন সিনোহাইড্রো করপোরেশন কোম্পানির ইয়ার্ডে ফেরত পাঠিয়েছে।

এদিকে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ওসির প্রদানকৃত নথিপত্র পর্যালোচনা ও সেতু কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সংবাদকর্মীরা জানতে পারে নথিগুলো পদ্মা সেতু প্রকল্পে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি বিক্রয়ের অনুমতি নয়। পরে ওসি নকিব আকরাম হোসেনের কাছে ঐ মালামাল জব্দ করে আদালতকে অবগত না করে ফেরত দেয়ার কারন জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। 

এরপর গত ১৫ মার্চ সন্ধায় আবারও জাজিরার পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকায় সিনোহাইড্রো করপোরেশনের ইয়ার্ড হতে M/S IT Fusion নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা সেনাবাহিনীর লোগো সংবলিত সাইনবোর্ড ব্যবহার করে একটি ট্রাক ভর্তি মালামাল আটক করে স্থানীয়রা পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় নিয়ে যায় এবং সংবাদিকদের জানায়। খবর পেয়ে জাজিরা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি পলাশ খান বিষয়টি জানতে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকার্তা নকিব আকরাম হোসেনের মুঠোফোনে কল করলে তিনি ফোন ধরেননি। পরে সংবাদদাতা এক স্থানীয় ব্যক্তির সহযোগীতায় আটককৃত ট্রাকের চালকের সাথে মুঠোফোনে  কথা বলে জানার চেষ্টা করেন ওই ট্রাকটি কে বা কারা ভাড়া করেছেন। চালক জানায় তাকে মেসার্স ত্বলহা ট্রাক ট্রান্সপোর্ট এন্ড কমিশন এজেন্সি নামে একটি ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি ভাড়া করেছে। পরে চালকের তথ্যানুযায়ী মুঠোফোনে ঐ ট্রান্সপোর্ট কোম্পানির পরিচালক মুহা. মফিজুল মীরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সফিকুল নামে একজন আমাদের থেকে ট্রাক ভাড়া নিয়েছেন। পরে সফিকুল নামে ঐ ব্যক্তির মুঠোফোন নম্বর নিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু জানিনা এবং ফোনের লাইন কেটে দেন। এর কিছুক্ষণ পরেই অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল পরিচয়ে হাসানুজ্জামান নামে এক ব্যক্তি সাংবাদিক পলাশ খানকে ফোন দিয়ে উত্তেজিত হয়ে বিভিন্নভাবে দোষারোপ করতে থাকে। তখন সাংবাদিক পলাশ খান নিউজের জন্য তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি বুঝিয়ে বললে হাসানুজ্জামান তাকে মালামাল ক্রয় সংক্রান্ত নথিপত্র প্রদান করেন এবং বলেন, তিনি সম্পূর্ণ বৈধভাবে তার কোম্পানি M/S IT Fusion এর মাধ্যমে সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেডের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে মালামাল ক্রয় করেছেন।

তার ক্রয়কৃত মালামাল বহনের ট্রাকের সামনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লোগো ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর জরুরী কাজে নিয়োজিত সাইনবোর্ড লাগানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তার সম্পূর্ণ দায় ট্রাক চালকের উপরে দিয়ে বলেন, এ সম্পর্কে আমি কিছু জানিনা। সে বিষয়ে আপনি ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করুন। এর পরেরদিন ১৬ মার্চ জানা যায়, দুই সাংবাদিকসহ ৬ জনের নামে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে এবং ঐদিনই বিকেলে ঐ এজাহারের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়। যার নম্বর- ১৩। মামলায় বাদী হয়েছেন হৃদয় খান নামে একজন ট্রাক চালক।

এবিষয়ে জাজিরা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি পলাশ খান বলেন, ১৫ মার্চ সর্বশেষ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল পরিচয়দাতা হাসানুজ্জামানের সাথে মোবাইলে কথা বলে তথ্য নেয়ার কিছুক্ষণ পরে জাজিরা এলাকায় কর্মরত ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) সদস্য এনামুল সাহেব আমাকে ফোন করে বললেন, নিউজটি কইরেন না। কাল ওনারা (হাসানুজ্জামান) আসবেন তারপর তার কথা শুনে ও কাজগজপত্র দেখে যা করার কইরেন। নিউজ না করতে বলার বিষয়টি জানতে আমার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাওন মিয়াকে ডিজিএফআইয়ের সদস্য এনামুল সাহেবের সাথে কথা বলতে বলি। এরপরের দিনই জানতে পারি আমাদের দুজনের নামে মামলা করা হয়েছে। এখানে গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। আমি এর সঠিক তদন্ত চাই।

আরেক ভুক্তভোগী সাংবাদিক শাওন মিয়া বলেন, ঘটনার দিন আমি শরীয়তপুর সদরে আমার শশুরের চিকিৎসার কাজে হযরত শাহজালাল হসপিটালে ছিলাম। আমি জানিনা আমার নামে কেন এমন অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এখানে নিশ্চই কোন ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। আমি এর সঠিক তদন্তের দাবী জানাই।

বিষয়টি নিয়ে কথা হয় মামলার বাদী হৃদয় খানের সঙ্গে। তিনি বলেন, মামলায় যা লেখা আছে সব সত্যি। আমাকে ওরা মারধর করছে।

এবিষয়ে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) নকিব আকরাম হোসেন বলেন, সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চাপে পরে আমার মামলা রুজু করতে হয়েছে। আমার কিছু করার ছিলনা।

বিষয়টি নিয়ে জেলা পুলিশ সুপার নজরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা রুজু হয়েছে। তদন্তের ক্ষেত্রে আমরা সঠিক ভাবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব। 

তিনি আরোও বলেন, সাংবাদিকদের মামলায় জড়িত হওয়ার ব্যপারে যদি আমাদের পদ্মা থানার ওসির অসৎ উদ্দেশ্য থাকে তাহলে সেটা আমরা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিব।

Tags: অপরাধচাঁদাবাজি মামলাদুর্নীতি
ShareTweetPin

সর্বশেষ সংবাদ

  • পুলিশ স্টাফ কলেজে দক্ষ অফিসারদের পদায়নের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
  • সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের নিয়োগ চূড়ান্ত করার নির্দেশ ইসির
  • প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা
  • মৌলভীবাজারে ঝোপ থেকে উদ্ধার ৯টি এয়ারগান
  • কাতারে নির্মাণকাজে প্রাণ গেল লিটন দাসের

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুর ইসলাম (রাশেদ মানিক)
নির্বাহী সম্পাদক: মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ

বাংলা এফ এম , বাসা-১৬৪/১, রাস্তা-৩, মোহাম্মদিয়া হাউজিং লিমিটেড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ

ফোন:  +৮৮ ০১৯১৩-৪০৯৬১৬
ইমেইল: banglafm@bangla.fm

  • Disclaimer
  • Privacy
  • Advertisement
  • Contact us

© ২০২৬ বাংলা এফ এম

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • সারাদেশ
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • প্রবাস
  • ভিডিও
  • কলাম
  • অর্থনীতি
  • লাইফস্টাইল
  • ক্যাম্পাস
  • আইন ও আদালত
  • চাকুরি
  • অপরাধ
  • বিজ্ঞান প্রযুক্তি
  • ফটোগ্যালারি
  • ফিচার
  • মতামত
  • শিল্প-সাহিত্য
  • সম্পাদকীয়

© ২০২৬ বাংলা এফ এম