দুই শিশু সন্তান রেখে না ফেরার দেশে চলে গেলেন শরিফ

কাজের সুবাদে ঢাকায় থাকতো শরীফ সেখানেই পরিচয় হয় নাগেশ্বরী উপজেলার রামখান ইউনিয়নের আজমাথা মাদারীকুটি গ্রামের মোঃ জহুরুল হক এর মেয়ে  রীনা আক্তার এর  সাথে দুজনের বিয়ে হয় ২০১৬ সালে । আট বছরের বৈবাহিক জীবনে তাদের রয়েছে দুটি পুত্র সন্তান।

তার স্ত্রীর সূত্রে জানা যায়, দুই বছর থেকে তারা দুজন ভূরুঙ্গামারী সদরে বাসা ভাড়া করে থাকত। প্রায় দশ মাস থেকে নগদ কোম্পানিতে টিএমআর হিসেবে চাকরি করতো শরিফ। অভাব অনটনের সংসারে যোগান দিতে স্ত্রীও কাজ করতো উপজেলা সদরে অবস্থিত শারাফাত ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।

গতকাল (৪ সেপ্টেম্বর )বুধবার রাত ৯ টার দিকে স্ত্রী কাজ শেষে বাসায় এসে দেখে শরিফের দেহ রুমে ফাঁসিতে ঝুলে আছে। তার স্ত্রী তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে নগদ কোম্পানির ভূরুঙ্গামারীর সুপারভাইজার ফরিদুল ইসলাম এবং ডিএসও হারুনুর রশিদ সুমনকে ফোন দিয়ে ততক্ষণে তাদের বাসায় আসতে বলে । তারা এসে শরীফ কে  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায় । সেখানের কর্তব্যরত ডাক্তার আবু সাজ্জাদ মোঃ সায়েম তাকে  মৃত  ঘোষণা করে।

 নিহত শরিফ আহমেদ (৪০)ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার সারাইল থানার  কুট্টাপারা গ্রামের মৃত আবু সাইদ চুন্নু মিয়া এর ছেলে।

ভূরুঙ্গামারী থানা অফিসার্স ইনচার্জ রুহুল আমিন জানান ,এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকে ফোন দিলে আমি আমার টিম নিয়ে রাতেই হাসপাতালে গিয়ে লাশ টি  থানায় নিয়ে আসি । এবং  নিহতের নিজ থানায় যোগাযোগ করে তার  ভাইয়ের সাথে কথা বলি। তাদের কোন অভিযোগ না থাকায় ইউডি মামলা দায়ের করে আজ( বৃহস্পতিবার )লাশ তার বড় ভাই জাকারিয়া আলম এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

সর্বশেষ সংবাদ