মধ্যনগরে কালীপূজার জায়গায় গৃৃহনির্মাণের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্ট:
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নে একপ্রতিবেশীর বিরুদ্ধে কালী পূজার নির্ধারিত জায়গায় মন্দিরের ত্রিপালের তৈরী বেড়া সরানোর অভিযোগ উঠেছে এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে।এটি উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মজলিশপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে। ১৬ইমে মঙ্গলবার সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায় একই নামের দুই প্রতিবেশী উভয়েই সুশীল সরকার নামীয়, একজন মধ্যবয়সী ও অভিযুক্ত  বৃদ্ধ বয়সী।কালী মন্দির প্রতিষ্ঠাতা মৃত বাসনা রানীর ছেলে সুশীল সরকার(৫০)কান্না জড়িত কন্ঠে জানান কালী মন্দিরটি প্রায় দুইযুগ পুর্বে আমার মা বাসনা রানী সরকার প্রতিষ্টা করেছিলেন।মন্দিরের পরিমান ছিলো ৬ফুট মাপীয় ৩পাতা টিনের ছাওনীতে।আমারা প্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে থাকি।প্রতি বছরের ন্যায় জৈষ্ঠ্যমাসে কালী পূজা উদযাপন করে আসছি।এবছর এসেদেখি প্রায় ২০দিন আগে এই মন্দিরের চাল সরিয়ে জায়গা দখলে বসতগৃহ নির্মাণ করে আমার প্রতিবেশী মৃত ধরণী সরকারের পুত্র সুশীল সরকার(৭৫)নামের ব্যাক্তি।
গৃহনির্মাতা অভিযুক্ত বৃদ্ধবয়সী সুশীল সরকার(৭৫)র ও পরিবারের লোকজনদের সাথে কথা বললে তারা বলেন,আমরা নতুন টিন শেডের ঘর নির্মান করেছি তবে মন্দিরের কোন ক্ষতি করি নাই,ঘরের কোনের বাঁশের খুটি টিক রেখে ঘরে টিনের বেড়া দিয়েছি। কিছুটা আনিকাছি সরেছে,মূল মন্দিরের ঘরে ছুই নাই।কারণ মন্দির সকলের জন্যই প্রয়োজন।আমি এ-ও জানিয়ে রাখি আলোচিত  জায়গাটি আমাদের নামে রেকর্ডীয় চারা ভূমি।উভয়ের নিকটবর্তী প্রতিবেশী সুকুমার বিশ্বাসের পুত্র স্বজন বিশ্বাস জানান,সুশীল সরকার(৭৫)কে বসবাসের জায়গা দিয়েছি আমরা।মন্দিরের জায়গাটুকুও আমার দাদুর নামীয় রেকর্ডের জায়গা।তবে বৃদ্ধ প্রতিবেশী সুশীল সরকার তা অস্বীকার করে জানান আমার জায়গায় আমি রয়েছি এবং মন্দিরটি ধর্মীয় প্রতিষ্টান থাকতে আমার কোন আপত্তি নেই।কিন্তু জায়গাটি আমার রেকর্ডের।
গ্রামবাসী প্রবীণ মুরুব্বিদের মধ্যে নিখিল চন্দ্র সরকার ও গৌরাঙ্গ সরকারের সাথে আলোচনায় বেড়িয়ে আসে,সুশীল সরকারের মা বাসনা রানী সরকার গ্রামে আসার পরথেকেই এখানে কালী মূর্তি দিয়ে পূজা হইতো।এছাড়াও এটি মন্দির নামেই পরিচিত  এবং বাসনা রানী তিনি একাই কালী পূজো করতেন আমাদের জানামতে।বিশ্বস্তসূত্রানুযায়ী জানা যায় বৃদ্ধ সুশীল সরকারের বাড়ির জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝামেলা ছিল ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে সমাধানও হয়েছে।এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য মিজানুর রহমান মিল্টু জানান,বিষয়টি স্পষ্টর্শকাতর তাই আমাদেরকে সুযোগদিন,ইউএনও মহোদয়ের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবো।মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খান জানান আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি অবগত  হয়েছি,অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

বিষয়: * কালীপূজার জায়গায় গৃৃহনির্মাণ * গৃৃহনির্মাণের অভিযোগ * মধ্যনগর * মধ্যনগরে কালীপূজা
লাইভ রেডিও
সর্বশেষ সংবাদ