পাইকগাছা ও তালার মধ্যস্থ সরকারি নদী দখল করে মৎস্য চাষের পাঁয়তারা চলছে

 

 

শাহরিয়ার কবির খুলনাঃ- খুলনা পাইকগাছা উপজেলার পাশ্ববর্তী সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার ১০ নং খেশরা ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড ও ৮ নং রাড়ুলী ইউনিয়নের মধ্যস্থ দিয়ে বয়ে গেছে কপোতাক্ষ নদ। শালিখা হতে কয়রা আমাদি পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার কপোতাক্ষ নদী খনন চলমান এই নদীর তালা ,পাইকগাছা ও আশাশুনি পাইকগাছা সীমান্তের শালিখা মঈনুদ্দিন রোড হতে পঞ্চাননতলা পর্যন্ত দুটি খণ্ডে গোপনে কিছু রাজনৈতিক দলীয় প্রভাবশালী অবৈধভাবে মাছ ছেড়ে দিয়ে দখলে রাখার পাঁয়তারা করছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। এ চক্রটি ৩০ কিলোমিটার নদী খনন হওয়ার আগ পর্যন্ত কিছু অংশ জোরপূর্বক দখলে রেখে অবৈধভাবে চিংড়ি চাষ করে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে নদীর এই দুটি খণ্ডে পৃথকভাবে চিংড়ির পোনা ছেড়ে দেয়া হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। নদী খনন শুরুতেই নদীতে গোপনে মাছ ছেড়ে দিয়ে দখলের বিষয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।জনসাধারণের বক্তব্য, নদী জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত তাই নদীতে এলাকার সাধারন জনগন মাছ ধরবে, এলাকার দুঃস্থ দরিদ্র পরিবার নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করবে।এলাকাবাসী আরো বলছেন, নদী সবার জন্য উন্মুক্ত, সেখানে কেউ সাধ করে মাছ ছাড়লে সেটা জনগণ মানবে না, নদীতে মাছ পেলে সাধারন জনগন মাছ ধরবে । এছাড়া এলাকার স্বল্প আয়ের মৎস্যজীবিরা মুক্তভাবে মাছ আহরণে ফিরে পাবে তাদের জীবিকার মূল মাধ্যম এমনটাই প্রত্যাশা ভূক্তভোগী জনপদের সাধারণ মানুষের। এ বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তাওহিদুল ইসলাম বলেন, খননকৃত নদীতে ব্যক্তিগতভাবে মাছ ছেড়ে দেয়ার কোনো নিয়ম নেই। খননকৃত এই নদীতে মাছ হলে সাধারণ জনগণ মাছ শিকার করতে পারবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, মাছ হলে সাধারণ জনগণ মাছ শিকার করতে পারবে, এক্ষেত্রে কোন বাধা আসলে এলাকাবাসী প্রশাসনের সহায়তা নিবেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
বিষয়: * নদী দখল * মৎস্য চাষ
লাইভ রেডিও
সর্বশেষ সংবাদ