তাহিরপুরে চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণ

 

তাহিরপুর  প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে চতুর্থ শ্রেনীতে পড়ুয়া এক কন্যা শিশুকে ২০ টাকা দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ,ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা। শনিবার সকালে তাহিরপুর উপজেলার (উত্তর) বড়দল ইউনিয়নের রাজাই গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

সোমবার বেলা ১২ ঘটিকার সময় ধর্ষকের বিরুদ্ধে ভিকটিমের পিতা বাদি হয়ে ধর্ষণকারী কালু মিয়াকে (৫৫) কে আসামী করে তাহিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন,কালু মিয়া রাজাই গ্রামের মৃত লোকমান মুন্সির ছেলে।

ভিকটিমের মা জানান,সকালে তার শিশু কন্যাকে বসত ঘরে রেখে শিশুটির পিতাকে নিয়ে কয়লা কুড়াতে যাদুকাটা নদীতে চলে যান তারা।শিশুটিকে বাড়িতে একা পেয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে জোর পূর্বক ভাবে ধর্ষণ করেছে এক যুবক।যাদুকাটা নদী থেকে এসে শিশুটির কাছ থেকে জানতে পারের তারা।

ভিকটিমের পিতা বলেন,‘আমরা গরিব মানুষ পেটের দায়ে সারাদিন নদীতে কাজ করি।সন্ধ্যার সময় বাড়িতে এসে ঘটনাটি জানতে পেরেছি।বিষয়টি গ্রামের মাতাব্বরদের জানানোর পর এক পক্ষ বলেছে টাকা পয়সা দিয়ে শালিশের মাধ্যমে শেষ করতে।আরেক পক্ষ বলেছে ঘটনাটি পুলিশকে জানাতে।‘আমি ন্যায় বিচার চাই’।

‘উত্তর বড়দল ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো.মাসুক মিয়া বলেন,আমি এ বিষয়টি শুনেছি ভিকটিমের পরিবার ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য থানার আশ্রয় নিয়েছেন।’

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল লতিফ (তরফদার) এ ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন,এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
বিষয়: * ছাত্রী * ধর্ষণ
লাইভ রেডিও
সর্বশেষ সংবাদ