ডিজিটাল আইনে কারাবন্দি সাংবাদিক আজহার মাহমুদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি

 

 

 

 

বিশেষ প্রতিনিধি | ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ : ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সিনিয়র সদস্য, বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বিএফইউজে’র কাউন্সিলর, আজহার মাহমুদকে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাবন্দির ঘটনায় নিন্দা, ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) নেতৃবৃন্দ। তারা অনতিবিলম্বে আজহার মাহমুদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

বিএফইউজের সভাপতি এম. আবদুল্লাহ ও মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন এবং ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহীদুল ইসলাম এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, একটি সংবাদের প্রেক্ষিতে দিনাজপুর হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন।

আজহার মাহমুদ মঙ্গলবার ওই মামলায় রংপুর আদালতে হাজির হলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আজহার মাহমুদ বতর্মানে রংপুর কারাগারে বন্দি।

ডিইউজে ও ডিআরইউ’র সিনিয়র সদস্য, বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বিএফইউজে’র কাউন্সিলর আজহার মাহমুদকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাবন্দির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য, আরপি নিউজ এর সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আমিরুজ্জামান অনতিবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের শুরু থেকে সাংবাদিক সমাজ আশঙ্কার কথা প্রকাশ করে এ কালো আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছিল। সরকারের পক্ষ থেকে আইনটি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহার না করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও তা রক্ষার কোন আলামত নেই। বরং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যথেচ্ছভাবে এ নিপীড়নমূলক আইন ব্যবহার হচ্ছে। যার সর্বশেষ শিকার সাংবাদিক আজহার মাহমুদ।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে আজহার মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করে তার নিঃশর্ত মুক্তি এবং সকল কালো আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
বিষয়: * আজহার মাহমুদ * ডিজিটাল আইন * সাংবাদিক
লাইভ রেডিও
সর্বশেষ সংবাদ