৩১ আগস্টের মধ্যেই আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহার

৩১ আগস্টের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারে অনড় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। শীর্ষ মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য দিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

কাবুলের হামিদ কারজাই বিমানবন্দরে এখনও যুক্তরাষ্ট্রের ৬ হাজার সেনাসহ মোতায়েন আছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও তুরস্কের কিছু সংখ্যক সেনা সদস্য।

জি-সেভেন বৈঠকে আফগানিস্তানে আরো কিছু সময় সেনা মোতায়েন রাখার অনুরোধ জানিয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশ। কিন্তু সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে ৩১ আগস্টের মধ্যেই সেনা সরানোর সিদ্ধান্তেই অটল থাকলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কাবুল বিমানবন্দরে হামলার আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানান তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট, আমরা যত দ্রুত শেষ করতে পারবো ততই ভালো হবে। অভিযানের প্রতিটি দিন আমাদের সেনাদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি নিয়ে আসে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ হাজার মার্কিন নাগরিককে দেশে ফেরানো হয়েছে। যে গতিতে কাজ চলছে, তাতে দ্রুত উদ্ধারকাজ শেষ করা যাবে। তাই ৩১ অগাস্টের মধ্যেই মার্কিন সেনা আফগানিস্তান ছাড়তে পারবে। তবে এ কাজে তালেবানকেও সাহায্য করতে হবে। তারা বাধা দিলে সময় আরো বেশি লাগবে।

এদিকে, ৩১ আগস্টের পর আফগানিস্তান ছাড়তে তালেবানের অনুমতি দেয়া উচিত বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যর প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আফগান নাগরিকদের সরানোই নয়, তালেবানের সঙ্গে রোডম্যাপে সম্মত জি-সেভেনের নেতারা। আমাদের একটাই শর্ত, আর তা হলো, ৩১ আগস্টের পর যারা আফগানিস্তান ছাড়তে চায়, তাদের জন্য নিরাপদ যেতে দিতে হবে তালেবানকে।

এছাড়া তালেবানের সঙ্গে ভবিষ্যতে আলোচনা চালানোর বিষয়ে একমত হয়েছেন জি-সেভেন নেতারা।

এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, সোমবার কাবুলে তালেবান নেতা আব্দুল গনি বারাদারের সঙ্গে গোপনে বৈঠক করেছেন মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সি/আই/এ’র প্রধান উইলিয়াম বার্নস।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
বিষয়: * আফগানিস্তান * আমেরিকা * বাইডেন * যুক্তরাষ্ট্র