জানুয়ারিতে আসবে ২১ কোটি টিকা

   
সরকার ২১ কোটি টিকার প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। শনিবার বিকেলে বাংলাদেশ বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘কোভিডের তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি প্রতিরোধ, অক্সিজেন সংকট, হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা ও শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সভায় এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বর্তমানে সরকারের হাতে এক কোটির ওপরে করোনার টিকা রয়েছে। আগামী মাসের মধ্যেই আরও দুই কোটি টিকা আসবে। এভাবে চীন থেকে তিন কোটি, রাশিয়া থেকে সাত কোটি, জনসন অ্যান্ড জনসনের সাত কোটি, অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটিসহ আগামী বছরের শুরুর মধ্যেই সরকারের হাতে প্রায় ২১ কোটি টিকা চলে আসবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, সবাইকেই টিকার আওতায় আনা হবে। বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সভা তিনি আরো বলেন, আক্রান্ত ৯০ শতাংশ রোগীই ভ্যাকসিন নেননি।

করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমে গিয়েছিলো, তখনকার তুলনায় বর্তমানে সংক্রমণ বেড়েছে ৬ গুণ। আর মৃত্যু বেড়েছে ১০ গুণ, শয্যার চাহিদাও বেড়েছে ১০ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে শয্যা বাড়ানোর আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামীতে ভারত থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ২০০ টন তরল অক্সিজেন আমদানি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে ৪৩টি অক্সিজেন জেনারেটর অর্ডার করা হয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে চার হাজার চিকিৎসক, চার হাজার নার্সসহ বিপুলসংখ্যক টেকনোলজিস্ট নিয়োগের কাজও এগিয়ে চলেছে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের কাছে কোভিডের তৃতীয় ধাপ মোকাবিলায় আরো শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির অনুরোধ জানালে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে সভাপতি মুবিন খান স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অন্তত দুই হাজার নতুন কোভিড ডেডিকেটেড শয্যা বৃদ্ধি করার আশ্বাস দেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন