২১ বছরের নায়িকা সাই এর সাথে ৫৪ বছরের সালমান

 

বিনোদন ডেস্ক

 

সাই মাঞ্জরেকারের ছেলেবেলা কেটেছে বাবা মহেশ মাঞ্জরেকারের সিনেমার সেটে। অ্যাকশন আর কাট দেখতে দেখতে বড় হওয়া সাই চেয়েছিলেন পরিচালক হতে। ক্যামেরার পেছন থেকে যে মানুষটা সব কলকাঠি নাড়েন, তাঁকেই তাঁর মনে ধরেছিল সবচেয়ে বেশি। কিন্তু ক্যারিয়ার শুরু করলেন মডেলিং দিয়ে। তাঁর বয়স যখন সবে ২১, তখন ৫৪ বছর বয়সী সালমানের নায়িকা হয়ে খাতা খুললেন বলিউডে। এক দশক আগে দাবাং দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল সোনাক্ষী সিনহার। আর সেই ছবির তৃতীয় কিস্তিতে নায়িকারূপে আত্মপ্রকাশ করলেন সাই। সব আশঙ্কা হাওয়ায় মিলিয়ে দাবাং থ্রি বক্স অফিস থেকে তুলে এনেছিল আড়াই শ কোটি রুপির বেশি।

 

সালমান ও সাই

নায়িকা হওয়ার পর থেকেই লেখাপড়ায় মন বসছে না মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয়য়ের ছাত্রী সাইয়ের। পুরো সময় আর শ্রম তিনি ব্যয় করতে চান বড় পর্দায়। পড়াশোনায় মন না বসলে কী হবে, সিনেমায় তিনি দেখা দেবেন কলেজছাত্রীর চরিত্রে। এবার তাঁকে দেখা যাবে বক্সিংয়ের ওপর নির্মিত তেলেগু ড্রামা ঘানিতে। আর বইখাতা নিয়ে বসতে ইচ্ছা না করলেও এই ছবির জন্য সাই শিখে ফেলেছেন তেলেগু ভাষা।ছবির পরিচালক কিরণ কোরাপাথি সাইকে তাঁর ছবিতে নেওয়ার ব্যাপারে বলেন, ‘আমার ছবির জন্য খুব স্বাভাবিক চেহারার, পাশের বাড়ির মেয়ের মতো সরল চেহারার একটা মিষ্টি মেয়ে লাগে। যে ঠিক তথাকথিত গ্ল্যামারাস নয়, কিন্তু আকর্ষণীয়। তাকিয়েই সঙ্গে সঙ্গে চোখ ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। ও খুব অনায়াসে অভিনয় করে। অভিনয়টা দেখে মনে হয় না যে অভিনয় করছে। মনে হয় সব সত্যি। আভিজাত্যে বড় হওয়া আধুনিক এই মেয়েটা দাবাং থ্রিতে অভিনয় করেছে একেবারে গ্রামের মেয়ে খুশির চরিত্রে। কিন্তু কে বলবে, সে খুশি নয়! আমি অনেক আগে ওকে চিত্রনাট্য দিয়ে রেখেছি। ও এর মধ্যে ভাষা শিখে সংলাপগুলো একেবারে তামিলভাষী নারীর মতোই আওড়াচ্ছে।’এর মধ্যে সাই মেজর নামে মেজর সন্দীপের বায়োপিকে অভিনয় করেছেন। ২ জুলাই মুক্তি পাবে ছবিটি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন