জামালপুর জেলা প্রতিনিধি :
ডিজেল ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে জামালপুর জেলার ৭টি উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১লাখ ২৬ হাজার ৯৫২ হেক্টর জমির ইরি-বোরো ধান ঝুঁকির মুখে পড়েছে। হতাশ কৃষি পরিবার।
কুষি সম্প্রসারণ অধিদঙÍর জানায়, জেলায় মোট আবাদী জমির পরিমান ১লাখ ৫৬ হাজার ৯৫২ হেক্টর। এর মধ্যে চলতি ইরি বোরো মওসুমে মোট ইরি-বোরো ধান চাষ হয়েছে ১লাখ ২৬ হাজার৩৮৫ হেক্টর জমি।
এর মধ্যে ডিজেল চালিত শ্যালো ইঞ্জিন সেচ রয়েছে ৩৩ হাজার ৭০৩টি। শ্যালো ইঞ্জিন দিয়ে মোট ইরি-বোরো ধান চাষ হয়েছে ৪৪ হাজার ২৩৪ হেক্টর জমি।
ইসলামপুর উপজেলার ধান চাষি আব্দুল মজিদ বলেন, ভরা মৌসুমে জাহিদা মাফিক ডিজেল না পাওয়ায় ফসল ঝুকিঁর মুখে পড়েছে। ডিজেল নির্ভর অন্যান্য ফসলও ক্ষতিগ্রস্ত। বিদুৎ নির্ভর সেচ প্রকল্প গুলোরও একই অবস্থা।
বকশীগঞ্জ উপজেলার মাঝপাড়া গ্রামের কৃষক মোজাম্মেল হক বলেন, টাকা দিয়েও ডিজেল পাওয়া যাচ্ছেনা। তেল সংকটের কারণে জমিতে সময়মত পানি দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। এ কারনে ফসল ক্ষতি গ্রস্ত হয়ে আসছে।
কৃষক মোস্তফা কামাল বলেন, অতিরিক্ত মূল্যে সার ও ডিজেল কিনে চাষাবাদ করায় কৃষকের উৎপাদন খরচ াদ্বগুন হারে বেড়ে গেছে। তাই অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি বছর কৃষকরা কম লাভবান হবে।
জামালপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলম শরীফ খাঁন বলেন, ৬৫ থেকে ৭০ ভাগ জমির ইরি রোরো ধান চাষ বিদ্যুতের উপর নির্ভশীল। অবশিষ্ট ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ ডিজেল নির্ভর। পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে না পারলে ফলনে প্রভাব পড়বে। উৎপাদন খরচ বাড়বে।
তিনি আরও বলেছেন আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ি বৃষ্টি হওয়ার যথেন্ঠ সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি হলে কৃষকরা কিছুটা স্বস্তি পাবে।

