শেখ মোঃ সাইফুল ইসলাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিস গুলোতে দালালের দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার ধোপাডাঙ্গা, রামজীবন ও শ্রীপুর ইউপির ভূমি অফিস ঘুরে দেখা গেছে, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর ভূমি অফিস গুলো পরিচালনা করছে দালাল চক্র।
কর্তাবাবুরা নাকে তেল লাগিয়ে ঘুমিয়ে থাকেন, অন্যদিকে অফিসের স্টোর রুমে রাখা রক্ষিত সাধারণ মানুষের জমাজমির ফাইল নাড়াচাড়া করছেন অফিসের পিওন, ঝাড়ুদার ও দালাল চক্রের সদস্যরা।
সেবা নিতে আশা সাধারণ মানুষ গুলোর জমাজমির কাগজপত্রে চলছে অর্থ-বানিজ্য।
শুধু তাই নয়, ইউপি সহকারী ভূমি কর্মকর্তাদের পছন্দের ব্যক্তিরাই হয়েছেন বর্তমান কর্তাবাবু।
সেবা নিতে আশা কয়েক জন ব্যক্তির সাথে কথা হলে, আজিজ মিয়া, বক্কর মিয়া, ফুল মিয়া, আক্কাস আলী ও বরকত উদ্দীন জানান, সুন্দরগঞ্জের ইউপি ভূমি অফিস গুলোতে দালালের বাঁশা বেধেছে, যে কোন সেবা নিতে গেলেই গুনতে হয় নগদ অর্থ।
তারা আরো জানান, দাগ, খতিয়ান বা খাজনা, খারিজে ব্যাপক অর্থ বানিজ্য শুরু করেছে, অফিস গুলোর পিওন, ঝাড়ুদার ও দালাল চক্রের সদস্যরা।
এব্যাপারে উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউপি সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান বলেন, তার অফিসে বর্তমান কর্মরত আছেন দুজন, বাকিরা মাস্টার রোলে কাজ করছেন, অনিয়মের বিষয়টি তিনি জানেননা।
অন্যদিকে সুধী সমাজের ব্যক্তিরা বলছেন, ফ্যাসিস সরকার আমলে
সুন্দরগঞ্জবাসী সৎ নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা হিসেবে পেয়েছিলেন এ্যাকজিকিউট্রিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাহমুদ আল হাসানকে, তিনি সুন্দরগঞ্জের সকল ল্যান্ট সমস্যার সমাধান দিয়ে, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে দালাল মুক্ত করেছিলেন।
তিনি বদলি জনিত কারণে স্টেশন পরিবর্তন হলে, আবারও সরকারি অফিস গুলোতে দালালের বাঁশা বেধেছে।
বর্তমান অনিযম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে পদক্ষেপ নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
তার পরে-ও অনিয়ম থেমে নেই গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ভূমি অফিস গুলোতে।
অনিয়ম ও দালাল বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এ্যাকজিকিউট্রিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাসুদুর রহমানের অফিস নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।