বরিশাল প্রতিনিধি:
বাকেরগঞ্জের অধিকাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের সন্মানিত শিক্ষক মহোদয়ের সন্তানদের পড়াশোনার জন্য জেলা সদর বরিশাল, কিংবা রাজধানী ঢাকার নামীদামী বিদ্যাপীঠে ভর্তি করিয়ে থাকে।অথচ নিজে খুব সন্মানের সাথে তার কর্মস্থল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম প্রচার করেন। তাহলে প্রশ্ন থেকে যায় আপনাদের নিজের প্রতিষ্ঠানের প্রতি আত্মবিশ্বাস,ভরসা, মায়া কতটুকু। আপনি আপনার চাকুরীরত বিদ্যাপীঠের প্রতি কতটুকু ভরসা হারালে নিজ সন্তানকে অন্য প্রতিষ্ঠানে দিতে পারেন। অতএব এখানে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়, নিজের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রতি নিজেদেরই ভরসা নেই। আপনার সন্তানকে যে ভাবে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চান,ঠিক একই আদর্শে ছাত্র – ছাত্রীদের গড়ে তুলুন দেখবেন আপনার কর্মস্থলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিও দেশ ও জাতির সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হবে।
শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে সরকার যেখানে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে আধুনিক ভবন নির্মাণ করে ছাত্র – ছাত্রীদের এবং শিক্ষকদের জন্য পাঠদানের সুন্দর পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছে সেখানে কর্মরত শিক্ষক মহোদয়গন নিজের প্রতিষ্ঠানকে বৃূদ্ধাংগুলি দেখিয়ে অবজ্ঞার চোখে ধারণ করে সন্তানদের ভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো এক ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্ত।
যেখানে সারা দেশে একই কারিকুলামে প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত যোগ্যতা সম্পন্ন মেধাবী শিক্ষক দ্বারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে দেখা যায় অনেক শিক্ষক নিজের কর্মক্ষেত্র প্রতিষ্ঠানকে এবং সহকর্মী শিক্ষকদের অযোগ্য মনে করে অন্য প্রতিষ্ঠানে তাদের সন্তানদের ভর্তি করিয়ে থাকে।
যার ফলে অনেক অভিভাবক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সেখানে কর্মরত শিক্ষকদের মেধা নিয়া প্রশ্ন তোলে।