সালেক হোসেন রনি, কিশোরগঞ্জ:
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নোয়াবাদ ইউনিয়নের ঝাউতলা গ্রামের বাসিন্দা খাইরুল ইসলাম আক্কাছের উপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকারবাসী । বৃহস্পতিবার (০৩ এপ্রিল) বিকাল ৫টার সময় ঝাউতলা বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নোয়বাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা কামাল এ হামলার তীব্র নিন্দা ও দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে হামলার শিকার আক্কাছের ভাই ও অত্র ওয়ার্ডের মেম্বার মো. আ: জলিল হামলাকারী মামুন মিয়া ও তার সহযোগিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
জানা যায় সেলুনে চুল কাটার সিরিয়াল নিয়ে তর্কাতার্কি ও হাতাহাতির জেরে ঈদের পর দিন মঙ্গলবার (০২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে মিহাদুল ইসলাম নামের এক যুবকের উপর হামলা চালাতে এলে তার চাচা মোঃ খাইরুল ইসলাম আক্কাস (৬০) বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে তাকেই ছুরি দিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত করে মামুন মিয়ার সহযোগি মোখলেছ। এ সময় বাজারের লোকজন এগিয়ে এলে মামুন মিয়া ও তার সংঘবদ্ধ দল পালিয়ে যায়।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। হামলায় নেতৃত্ব দেয়া মামুন মিয়া (৩৮), মোখলেছ (৩৫), হাবিবুর রহমান (৩৪) জালাল (৪২) পাশের গ্রাম রামনগরের বাসিন্দা এবং আহত মোঃ খাইরুল ইসলাম আক্কাস (৬০) নোয়বাদ ইউনিয়নের ঝাউতলা জলার পাড় গ্রামের বাসিন্দা। হামলাকারী মামুনের বিরুদ্ধে করিমগঞ্জ থানাসহ গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ থানাতেও একাধিক মামলা রয়েছে ।
জানা যায় ঈদের আগের দিন সেলুনে চুল কাটাতে যায় মিহাদুলের চাচতো ভাই স্বপন ও হামলাকারী মামুনের চাচাতো ভাই সাগর। এ সময় কে আগে চুল কাটাতে বসবে এনিয়ে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আর এরই জের ধরে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানান হামলায় আহতের স্বজনেরা।