তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আগামী ২১ অক্টোবর এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
আজ বুধবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আলোচনা
-
সকালে দ্বিতীয় দিনের রিভিউ শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক ফিরিয়ে দিয়ে সাময়িক সমাধান দিতে চায় না আপিল বিভাগ; স্থায়ী ও কার্যকর সমাধান চায়, যাতে বারবার এটি বিঘ্নিত না হয়।”
-
তিনি প্রশ্ন তোলেন: “যদি তত্ত্বাবধায়ক ফিরিয়ে দেই তবে এটি কবে থেকে কার্যকর হবে?”
অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্য
-
আপিল বিভাগ রায়ের পর কীভাবে কার্যকর হবে সে বিষয়ে নতুন পর্যবেক্ষণ দিতে পারে বলে মত দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
-
তিনি বলেন, গত দেড় দশকে মানুষ গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছে। ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণেই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতন ঘটে।
-
তিনি আরও বলেন, জনগণ রাজপথ থেকে প্রধান বিচারপতি ও সরকারপ্রধান নির্ধারণ করেছে—এই ক্ষমতাকে অবজ্ঞা করার সুযোগ নেই। এ সময় তিনি ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটও তুলে ধরেন।
পটভূমি
-
১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত হয়।
-
এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অ্যাডভোকেট এম. সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন।