কবিদের মর্যাদা সংরক্ষণ ও সম্মানী ভাতা প্রদানের দাবী জানিয়েছেন কবি সংসদ বাংলাদেশ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান কবি অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর কচিকাঁচা মিলনায়তনে ‘বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মানে কবিতা’ স্লোগানে অনুষ্ঠিত ‘১১তম জাতীয় কবি সম্মেলন ২০২৫’ এ সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ দাবী জানান। তিনি আরো বলেন, সৃষ্টিশীলতার আদি অভিব্যক্তি তার বাকবাহিত উচ্চারণের আদি রূপ কবিতা। জুলাই অভ্যুথান ২০২৪, ভাষা আন্দোলন ৫২, মুক্তিযুদ্ধ ৭১ কিংবা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ নানা আন্দোলন-সংগ্রামে হাতিয়ার হয়েছে কবিতা।’
১৯৯৮ খৃস্টাব্দে কবিতা আন্দোলনে নতুন গতির সঞ্চার করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কবি সংসদ বাংলাদেশ। সেই থেকে এ সংগঠন আয়োজন করে আসছে জাতীয় কবি সম্মেলন। চলমান সময়ে সম্ভাবনার প্রত্যাশায় ১১তম জাতীয় কবি সম্মেলন এ সম্মেলনে সারা দেশ থেকে আগত প্রায় ২০০ কবি অংশ নেন। কবিকন্ঠে কবিতা পাঠ,আলোচনা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রাণবন্ত ছিলো কবিসমাজ।
এ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, কবি ইমরোজ সোহেল, লায়ন মো. গনি মিয়া বাবুল, কবি মুস্তফা হাবিব, কবি সাংবাদিক রাজু আলীম, কবি অশোক ধর, কবি সংসদ বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক কবি তৌহিদুল ইসলাম কনক প্রমুখ। কবিকন্ঠে কবিতা পাঠ করেন কবি ফারুক মাহমুদ গাজী, কবি সুবর্ণা দাস, কবি রলি আক্তার, অধ্যাপক রেনু আহমেদ, কবি প্রসপারিনা, কবি বাপ্পী সাহা প্রমুখ।
অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী আরো বলেন, ‘কবিতা আমাদের মননশীল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে শেখায়। মানবিক উৎকর্ষের জন্য মেধার সঙ্গে দেশপ্রেম ও মনন থাকলেই কবিতা সকলের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে।’
বার্তা প্রেরক
তৌহিদুল ইসলাম কনক
সাধারণ সম্পাদক
কবিসংসদ বাংলাদেশ, কেন্দ্রীয় কমিটি