জামালপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে গত মঙ্গলবার রাতে এক অস্বস্তিকর ঘটনা ঘটে, যেখানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী সিরাজুল হক প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের হুমকি দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিরাজুল হক একটি দল নিয়ে বিএনপির জেলা কার্যালয়ে প্রবেশ করেন এবং সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক শুরু করেন। তর্কের একপর্যায়ে তিনি আগ্নেয়াস্ত্র বের করেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের হুমকি দিতে থাকেন। এর পরই স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওয়ারেস আলী মামুনকে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি এবং মেসেজ পাঠালেও কোনো উত্তর দেননি। জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি, তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমি ভালো করে জানি না। আগে জানি, তারপর কথা বলব।”
ঘটনাটি নিয়ে সিরাজুল হক ডেইলি স্টারকে বলেন, “আমাকে মারতে এসেছিল। আমি আমার নিরাপত্তার জন্য অস্ত্র নিয়ে গেছি। তারা আমার বড় ছেলেকে মেরেছে। আমার বাবার জমি দখল করে পার্টি অফিস করেছে। এক কোটি ২০ লাখ টাকা ভাড়া বাকি আছে, ভাড়া দেয় না।”
এই ঘটনাটি জামালপুর জেলা বিএনপির মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে এবং ঘটনাটি নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।