বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১০ নং গারুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম কাইউম খানকে নিয়া একটি ফেক আইডি দিয়া ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর অপ প্রচারে ফুসে উঠেছে ইউনিয়ন বাসী।
গারুরিয়া ইউনিয়নবাসীর ধারনা উদ্দেশ্যপ্রানোদিত ভাবে একটি কুচক্রী মহল সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল ভুয়া নিউজপোর্টাল তৈরি করে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল ও ইউনিয়নবাসীর দাবি, প্রকাশিত ওই তথাকথিত ‘নিউজ’ এ যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের একটি অপচেষ্টা।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান কাইউম খান বলেন, তার নামে যে অপ- প্রচার চালানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন,এবং খুব শ্রীগই এবিষয়ে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিবেন।
এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ। তারা বলেন, যে ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তার বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ অত্যন্ত ন্যক্কারজনক।
চেয়ারম্যান এস এম কাইয়ুম খান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই গারুড়িয়া ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে আসছেন। তার নেতৃত্বে, গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সহায়তা প্রদান, ইতোমধ্যে এসব কাজের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কাইয়ুম খান একজন সৎ, দক্ষ ও জনবান্ধব চেয়ারম্যান, যিনি সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা আরও বলেন,কিছু কুচক্রী মহল অপপ্রচার চালিয়ে তার জনপ্রিয়তা নষ্ট করার চেষ্টা করলেও জনগণ এসব মিথ্যা প্রচারণায় বিভ্রান্ত হবে না। সর্বশেষে ইউনিয়নবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এভাবে সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে।

