নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর আলোচিত মুনিয়া হত্যা মামলা আবারও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে আটক হওয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদির সঙ্গে মুনিয়ার একাধিক ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার পর এই মামলা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ওই অডিওতে দেখা যায়, মুনিয়ার বাসায় আফ্রিদির নিয়মিত যাতায়াত এবং বিভিন্ন সময়ে তাদের কথোপকথন। এমনকি এক পর্যায়ে মদ্যপ অবস্থায়ও তার মুনিয়ার সঙ্গে দেখা করার প্রসঙ্গ উঠে আসে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব তথ্য মামলাটিকে নতুন দিকে ঘুরিয়ে দিতে পারে।
অন্যদিকে, অভিযোগ উঠেছে—মুনিয়া হত্যাকাণ্ডের পর দায়ী ব্যক্তিদের আড়াল করতে এবং ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে পরিকল্পিতভাবে মামলা পরিচালনা করা হয়েছিল। ভুক্তভোগী এক নারী গণমাধ্যমে অভিযোগ করে বলেন, তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল মুনিয়ার মতো পরিস্থিতিতে পড়তে হতে পারে। তবে এসব অভিযোগ এখনো যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের এপ্রিলে গুলশানে নিজ ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর তার বোন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় শুরুতে শীর্ষ ব্যবসায়ীকে আসামি করা হলেও পরে তদন্তে তার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তবে মামলার দ্রুততম সময়ে দায়ের, আদালতের নির্দেশ এবং বিদেশযাত্রা নিষেধাজ্ঞার মতো বিষয়গুলো নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে সব পক্ষের অভিযোগ ও প্রমাণ স্বচ্ছভাবে তদন্ত করা জরুরি।