গোলাপগঞ্জে তিন দিনব্যাপী ঈদুল ফিতর এক্সিবিশন আয়োজনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ। স্থানীয় বাজারের স্থায়ী দোকানদারদের দাবি, মেলায় অস্থায়ী স্টল বসানোর কারণে তাদের ব্যবসা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত হচ্ছে।
বণিক সমিতির নেতারা জানান, এই ধরনের আয়োজনের আগে কোনো আলোচনা বা সমন্বয় হয়নি। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত মেলা বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
বণিকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রয়োজন হলে আন্দোলন এবং সড়ক প্রতিবাদও করা হতে পারে।তবে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম ফোনে যোগাযোগে আসেননি এবং এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেননি।
ব্যবসায়ীরা জানান, নভেম্বর মাসের মাঝামাঝিতে হেতিমগঞ্জ বাজারের পাশে আমিন কনভেনশন হলে একটি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। পরে নভেম্বরের শেষ দুই দিন ও ডিসেম্বরের প্রথম দিন গোলাপগঞ্জ পৌর শহরের লাযিয রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারে মেলা আয়োজন করা হয়। আগামী ২৫–২৭ ডিসেম্বর পৌর শহরের একেবারে নিকটে সানরাইজ রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারে আরও একটি মেলা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া সামনে আরও বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে এ ধরনের মেলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের আশ্বাসে আপাতত অপেক্ষা করছেন। তবে দ্রুত দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ না এলে গোলাপগঞ্জের বাজার ব্যবসায়ীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সচেতন মহলের মতে, সুশৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থা, ন্যায্য প্রতিযোগিতা এবং স্থায়ী ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় রেস্টুরেন্টে নিয়মবহির্ভূত বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের নিরপেক্ষ, দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।