জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সরকারি কাজে বাধা ও বেআইনি সমাবেশের অভিযোগে দায়ের করা পল্টন থানার মামলায় তিনি দণ্ডিত হয়েছেন।
১৮ আগস্ট সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামানের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করেন শহিদুল ইসলাম বাবুল। এ সময় তিনি আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী সাদেকুল ইসলাম ভূঁইয়া (জাদু) বলেন, “শহিদুল ইসলাম বাবুল আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেছিলেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করেছেন। আমরা উচ্চ আদালতে আবেদন করব এবং আশা করছি, সেখানে জামিন পাওয়া যাবে।”
২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কক্সবাজার সফর শেষে গুলশানে ফিরে আসেন। ওই সময় দলের নেতাকর্মীরা পল্টন এলাকায় সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং ভিআইপি রোড বন্ধ করে ভাঙচুরের চেষ্টা চালান। এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৯ জুলাই তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আতাউর রহমান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
বিচার প্রক্রিয়া শেষে ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে শহিদুল ইসলাম বাবুলকে এক ধারায় আড়াই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা (অনাদায়ে সাত দিন কারাদণ্ড) এবং আরেক ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা (অনাদায়ে সাত দিন কারাদণ্ড) দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন। এজন্য আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন।

