মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র “শেষ ও শ্রেষ্ঠ সুযোগ” কাজে লাগিয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুর্বল করতে এই সিদ্ধান্ত ছিল সময়োপযোগী ও কৌশলগতভাবে প্রয়োজনীয়।
ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সক্ষমতা দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছিল এবং তা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করছিল। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও Israel–এর সমন্বিত পদক্ষেপকে “নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় অপরিহার্য” হিসেবে উল্লেখ করেন।
এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। Qatar জানিয়েছে, তাদের বিমানবাহিনী ইরান থেকে আসা দুটি সু–২৪ যুদ্ধবিমান, সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং পাঁচটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। দোহা বলেছে, লক্ষ্যবস্তুগুলো তাদের আকাশসীমার দিকে অগ্রসর হচ্ছিল এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা “সফলভাবে” সেগুলো প্রতিহত করেছে।
সংঘাতের বিস্তৃত প্রেক্ষাপটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই আঞ্চলিক মাত্রা পাচ্ছে। সামরিক পাল্টাপাল্টি হামলার পাশাপাশি কূটনৈতিক অঙ্গনেও তৎপরতা বাড়ছে, যদিও এখন পর্যন্ত সরাসরি আলোচনার কোনো স্পষ্ট অগ্রগতি দেখা যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি আঞ্চলিক দেশগুলোর নিরাপত্তা ও জোট রাজনীতির ভারসাম্য রক্ষাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

