প্রিন্ট এর তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
তাহসিফ হত্যা মামলায় দীপের আরও ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ
ডেস্ক নিউজ ||
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারও ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে নৌ পুলিশ।আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে নৌ পুলিশের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন ঢাকার আদালতে এই রিমান্ড আবেদন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন।এর আগে গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) মামলার প্রথম দফায় ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনের বিপরীতে আদালত দীপের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।নৌ পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে জমা দেওয়া রিমান্ড আবেদনে ঘটনার দিন রাতের চাঞ্চল্যকর বেশ কিছু তথ্য ও প্রাথমিক তদন্তের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে:তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, ঘটনার দিন (২৭ অক্টোবর) রাতে নিহত তাহসিফ সাউরিকে সঙ্গে নিয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন মাজার বস্তি এলাকায় গিয়েছিলেন আসামি দীপ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দীপ স্বীকার করেছেন সাউরি তাঁর সিনিয়র বড় ভাই ছিলেন। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে স্পষ্ট উল্লেখ করেন, প্রাথমিক তদন্তে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দীপের সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে।মামলার মূল রহস্য উদঘাটন এবং আসামি যাতে কোনোভাবে জামিনে মুক্ত হয়ে তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে না পারেন—সেজন্য তাঁকে আবারও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন বলে পুলিশ জানিয়েছে।মামলার নথি ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর ২০২৬ সন্ধ্যায় ছোট ভাই বা জুনিয়র বন্ধু দীপের ডাকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন তাহসিফ সাউরি।তাহসিফ রাতে না ফেরায় তাঁর মা ফোন করলে তিনি জানান দ্রুত ফিরছেন। রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মায়ের ফোনে মেসেঞ্জারে একটি ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে বলেন, ‘রওনা দিয়েছি, আসছি’। এরপর থেকেই তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।পরদিন ২৮ অক্টোবর বিকেলে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাহসিফের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে ২৯ অক্টোবর উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।গত ৩০ অক্টোবর রাতে নিহতের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম বাদী হয়ে উত্তরখান থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দীপকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম