প্রিন্ট এর তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সাজেকে জেএসএস ও ইউপিডিএফের মধ্যে গোলাগুলি, এলাকায় আতঙ্ক
ডেস্ক নিউজ ||
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটন কেন্দ্র সাজেক সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আঞ্চলিক দুই সশস্ত্র গোষ্ঠী জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এবং ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় তীব্র গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এলাকার একক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর ১টার দিকে সাজেকের কলাবুনিয়া এলাকার দুর্গম পাহাড় থেকে এই গোলাগুলি শুরু হয়, যা প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে। হঠাৎ এই ভারী অস্ত্র বর্ষণের কারণে পুরো সীমান্ত ও পাহাড়জুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সাজেক ও আশপাশের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস ও প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সংঘর্ষের সময়কাল: দুপুর ১টা থেকে কলাবুনিয়া এলাকায় দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে অতর্কিতে গুলি বর্ষণ শুরু করে। এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম পাহাড়ে অবস্থিত হওয়ার কারণে সংঘর্ষে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের ভূমিকাঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছেন, দুপুর ১টা থেকে কলাবুনিয়া এলাকার দুর্গম পাহাড়ে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। এলাকাটি দুর্গম হওয়ার কারণে শুরুতেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সরাসরি ঘটনাস্থলে ঢুকতে না পারলেও পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী এলাকায় প্রবেশের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। বর্তমানে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যগণ দূর থেকে পরিস্থিতির ওপর তীব্র নজরদারি বজায় রাখছেন। গোলাগুলি বন্ধ হলেও পুরো এলাকাজুড়ে এখন এক থমথমে ও থমকে যাওয়া থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।পার্বত্য অঞ্চলে একের পর এক এমন সশস্ত্র সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয় পাহাড়িসহ সাজেক রুটে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তাও চড়া ঝুঁকিতে পড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম