প্রিন্ট এর তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
সুনামগঞ্জ থেকে হেলিকপ্টারে করে বিয়ে করতে আসলেন চুয়াডাঙ্গায়
তৌহিদ তুহিন, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি ||
বরের বাবার ইচ্ছায় পুত্রবধুকে হেলিকপ্টারে চড়িয়ে বাড়িতে আনতে এ উদ্যোগ। সুনামগঞ্জ থেকে আকাশ পথে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গায় উড়ে আসেন বরসহ ৫ সদস্যকে বহনকারী হেলিকপ্টার। গ্রামে ব্যাতিক্রম বিয়ের আয়োজন দেখতে দুর-দুরন্ত থেকে ছুটে আসেন সব বয়সের মানুষ।সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর উপজেলার পুরানখালস গ্রামের লিয়াকত মিয়ার ছেলে বর সাখাওয়াত হোসেন। কনে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শঙ্করচন্দ্র গ্রামের শাহাজান সেলিমের মেয়ে রওনক জাহান। কনের বাবা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও ছেলের বাবা কয়লা ব্যবসায়ী। বর ও কনে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। উচ্চতার ডিগ্রীর জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনেই বিদেশে পড়াশুনা করতে যাবেন।বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সাথে পড়ার সময় দুই জনের মধ্য প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পড়াশুনা শেষের দিকে হওয়ায় দুই পরিবারের সম্মতিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ের আয়োজন করে ২০২৬ সালের ২২ অক্টোবর। দুই পরিবারে চলে আয়োজন। সড়ক পথে সুনামগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দুরত্ব প্রায় ৪৮০ কিলোমিটার হওয়ায় এ ব্যাতিক্রমি উদ্যোগ নেয় বরের পরিবার।বাবার ইচ্ছা ছিল ছেলের বিয়ের সময় হেলিকপ্টারে করে পুত্রবধু নিয়ে আসবেন বাড়িতে। যে কথা সেই কাজ করেন তিনি। বর সাখাওয়াত হোসেনসহ ৫ জন বরযাত্রী নিয়ে সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর উপজেলা থেকে হেলিকপ্টার নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় চুয়াডাঙ্গার ডিঙ্গেদহ ফুলবাড়ি মাঠে নামে। এরপর কনে পক্ষের লোকজন বরকে বরণ করে নিয়ে যান। অন্য বরযাত্রী ১৫ জন সড়ক পথে আসেন। বিয়ের আনুষ্ঠনিকতা শেষে নববধূকে নিয়ে বিকালে চলে যান সুনামগঞ্জে। আকাশ পথে প্রায় ৩০৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সুনামগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গায় আসে বর যাত্রীবাহি হেলিকপ্টার।গ্রামবাসী জানান, ব্যতিক্রমধর্মী বিয়ের আয়োজন ছিল। গ্রামে প্রথম হেলিকপ্টার নিয়ে বিয়েতে আসলো। বর অনেক ভদ্র। তাদের দাম্পত্য জীবন সুখী হোক।বর সাখাওয়াত হোসেন জানান, বাবার ইচ্ছা ও শখ পূরণে হেলিকপ্টার নিয়ে সুনামগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গায় আসি বিয়েতে। সড়কপথে দূরত্ব অনেক বেশি। চুয়াডাঙ্গার মানুষের ভালোবাসার মুগ্ধ।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম