প্রিন্ট এর তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
বকশীগঞ্জে ভিডিও করতে নিষেধ করায় হামলা, ৩ জনের অবস্থা আশংকা জনক
এম.শাহীন আল আমীন , জেলা প্রতিনিধি ||
জামালপুরের বকশীগঞ্জে মোবাইলে ভিডিও করতে নিষেধ করায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রসহ ৭ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে নূর ইসলামসহ ৩ জনের অবস্থা আশংকা জনক। নূর ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। গুরুত্বর আহত ৩ জন ময়মনসিংহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।জানা যায়, জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের বালুগ্রাম গ্রামের আব্দুর রশিদ এর পরিবারের সাথে প্রতিবেশি শাহ আলমের সাথে জমাজমি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। ঘটনার দিন নূর ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন নিজ মরিচ খেতে পানি দিতে ছিলো। ওই সময় শাহ আলমের স্ত্রী রহস্যজনক কারণে ভিডিও ধারণ করতে ছিলেন। আব্দুর রশিদ পরিবারের লোকজন ভিডিও ধারণে করতে বাধা নিষেধ করে। এর কারণে শাহ আলমের পরিবারের লোকজন উত্তেজিত হয়ে দেশীয় অস্রপাতি নিয়ে আব্দুর রশিদের পরিবারের লোকজনের উপর হামলা করে।
হামলায় আব্দুর রশিদ পরিবারের ৭ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা গুরুত্বর। গুরুত্বর আহত ৩জনকে বকশীগঞ্জ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর সদর হাসপাতালে রেফার্ড করে। জামালপুর থেকে আহতদের ময়মনসিংহ হাসপাতালে রেফার্ড করে। বর্তমানে গুরুত্বর আহত রুস্তম আলী(৩৫) ও আলমাস আলী(৩৫) ময়মনসিংহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। গুরুত্বর আহত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নূর ইসলামের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আব্দুর রশিদ বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা ১৫ জনকে আসামী করা হয়েছে। আসামীরা হলেন, শাহ আলম, সোনা মিয়া, আকরাম হোসেন, আমজাদ আলী, হযরত আলী, রাজা মিয়া, আক্তার হোসেন, আব্দুল্লাহ, শাকিল মিয়া, বাবু মিয়া, ফকির আলী, আকিত মিয়া, হুনুয়া বেগম, শাহানা বেগম ও ধুলি বেগম।
মামলার বাদী আব্দুর রশিদ জানান, হামলাকারীরা একই সময় মরিচের চারা ভাঙ্গিয়া প্রায় দেড় লাখ টাকার সমপরিমান ক্ষয়ক্ষতি করে। তিনি বলেন, হামলাকারীরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নানাভাবে চাপ স্মৃষ্টি করছে। মামলা তুলে না নিলে খুন জখম করবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এব্যাপারে বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মকবুল হোসেন জানান, ঘটনার বিষয়ে মামলা হয়েছে। মামলার নামীয় আসামী সোনা মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম