প্রিন্ট এর তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা নিয়ে নওগাঁ সদরের মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি ধলু
মো: রিজওয়ান হোসাইন, নওগাঁ প্রতিনিধি ||
সনাতনীদের সর্বশ্রেষ্ঠ শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে নওগাঁ সদর উপজেলার ১২৮টি পূজামণ্ডপ ও প্যান্ডেল পরিদর্শনে ব্যাস্ত সময় অতিবাহিত করছেন নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা জাহিদুল ইসলাম ধলু। দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করছেন তিনি।প্রতিটি মণ্ডপে গিয়ে তিনি পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্য, দর্শনার্থী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কূশলাদী বিনিময় করছেন। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সনাতনীদের কে শারদীয় শুভেচ্ছা জানান এবং উৎসবের সার্বিক খোঁজখবরাদী নেন। একই সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শ্রী শ্রী বুড়াকালী মাতা পূজা মণ্ডপসহ বিভিন্ন স্থানে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র (শাড়ি) বিতরণ করেন ।দিন-রাত সংসদ সদস্যকে এভাবে মণ্ডপ পরিদর্শন ও সাধারণ মানুষের খোঁজ নিতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে উৎসবের আমেজ আরও প্রানবন্তময় হয়ে ওঠে। তাঁকে কাছে পেয়ে পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্য ও সনাতনীরা আনন্ চিত্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।এদিকে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্যাপন এবং চিরাচরিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়েও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলছেন সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু। তিনি বলেন, "বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে প্রতিটি নাগরিকের সমঅধিকার রয়েছে। দল-মত নির্বিশেষে সকলে মিলে উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে এবারের দুর্গাপূজা উদ্যাপন করছেন, যা আমাদের সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।"মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় সংসদ সদস্যের সাথে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য যে, এবারের পূজো মোট ছয়দিন ব্যাপি হাওয়ায় পূজোর আনন্দ অনেক অনেক গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। তিথি অনুযায়ী মহাসপ্তমী দুই দিন স্থায়িত্ব হওয়ায় পূজোর ব্যাপ্তি বেড়ে গেছে। এই হেতু আনন্দঘন মুহুর্ত গুলোও বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম