প্রিন্ট এর তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
আমতলী-তালতলী সড়ক যেন মরণফাঁদ, দুর্ভোগে দুই উপজেলার মানুষ
মো. আবদুল আউয়াল , সহকারি সম্পাদক ||
বরগুনার আমতলী-তালতলী আঞ্চলিক সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন দুই উপজেলার লাখো মানুষ। সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত ও খানাখন্দ। বৃষ্টির পানি জমে এসব গর্ত আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। এতে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন যাত্রী, চালক ও পথচারীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমতলী থেকে তালতলী হয়ে ফকিরহাট পর্যন্ত প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই আঞ্চলিক সড়কটি দুই উপজেলার যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। সড়কটির মানিকঝুড়ি থেকে কচুপাত্রা সেতু, কড়ইবাড়িয়া বাজার থেকে হরিণবাড়িয়া সেতু এবং তালতলী সেতু থেকে ফকিরহাট পর্যন্ত বিভিন্ন অংশে দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। কোথাও পিচ উঠে গেছে, কোথাও সড়কের ইট-খোয়া সরে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত।সড়কের এমন অবস্থার কারণে বাস, ট্রাক, অটোরিকশা, মাহিন্দ্রা ও মোটরসাইকেল চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে। গর্তে যানবাহনের চাকা আটকে পড়ছে, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। পাশাপাশি রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনেও বিঘ্ন ঘটছে। সড়কটি ব্যবহার করে সোনাকাটা ইকোপার্ক ও ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে যাতায়াত করতে হয়। ফলে সড়কের দুরবস্থার প্রভাব পড়ছে পর্যটন ও স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানানো হলেও পুরো সড়কের দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান হয়নি। বিভিন্ন সময়ে সংস্কারকাজ করা হলেও অল্প সময়ের মধ্যে কয়েকটি অংশ আবারও ভেঙে গেছে। এতে জনদুর্ভোগ কমছে না।এ ব্যাপারে বরগুনা সড়ক বিভাগের উপ- বিভাগীয় প্রকৌশলী লিটন আহমেদ খান বলেন, এ গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি এলজইডি বিভগে রয়েছে। আমরা সড়ক ও জনপদ বিভাগে যুক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি শুধু এমপি সাহেব ডিউ লেটারে অনুমোদন দিলেই এ রাস্তার টেকসই কাজ করতে পারবো।এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত সড়ক সংস্কারের মাধ্যমে আমতলী ও তালতলীর মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম