প্রিন্ট এর তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
যেভাবে ছড়াতে পারে এইচআইভি
ডেস্ক নিউজ ||
এইচআইভি (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা মানুষের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দেয়। সময়মতো চিকিৎসা না করালে এটি এইডসে রূপ নিতে পারে। এ বিষয়ে সচেতনতার অভাব এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে যে কেবল শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমেই এই ভাইরাস ছড়ায়, যা সঠিক নয়।সংক্রমিত রক্ত, বীর্য, যোনিরস, পায়ুপথের তরল এবং বুকের দুধের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। তবে সাধারণ স্পর্শ, একসঙ্গে খাওয়া বা করমর্দনে এইচআইভি ছড়ায় না। শারীরিক সম্পর্ক ছাড়াও যেসব কারণে সংক্রমণ হতে পারে:যথাযথ পরীক্ষা ছাড়া রক্তদাতা বা রক্ত গ্রহণকারীর মাধ্যমে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।মাদক গ্রহণকারী বা চিকিৎসায় একাধিক ব্যক্তির একই সুচ ব্যবহারের ফলে।অস্ত্রোপচার বা চিকিৎসার যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে জীবাণুমুক্ত না করলে।আক্রান্ত মায়ের গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা স্তন্যদানের মাধ্যমে (যদিও সঠিক চিকিৎসায় ঝুঁকি কমানো সম্ভব)। স্বাস্থ্যকর্মী বা অন্য কারও শরীরে দুর্ঘটনাবশত সংক্রমিত রক্ত প্রবেশ করলে।জীবাণুমুক্ত নয় এমন সুচ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিদ্র বা ট্যাটু করার সময়।প্রাথমিক পর্যায়ে জ্বর, গলাব্যথা, ফুসকুড়ি, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, অতিরিক্ত ক্লান্তি, রাতের ঘাম বা লসিকাগ্রন্থি ফুলে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তবে অনেকের দীর্ঘকাল কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। তাই নিশ্চিত হতে পরীক্ষা করানো জরুরি।ঝুঁকিপূর্ণ সংস্পর্শের ক্ষেত্রে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ‘পিইপি’ (পোস্ট-এক্সপোজার প্রফিল্যাক্সিস) শুরু করলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব। নিয়মিত পরীক্ষা এবং অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল চিকিৎসার মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। সচেতনতা, নিরাপদ সরঞ্জাম ব্যবহার এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসাই এইচআইভি প্রতিরোধের মূল উপায়।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম