প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
শপথের পর এক টাকাও দুর্নীতি করিনি: আমির হামজা
ডেস্ক নিউজ ||
শপথ নেওয়ার পর গত সাড়ে ছয় মাসে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হননি বলে দাবি করেছেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা। একই সময়ে দায়িত্ব পালন করা অন্য সংসদ সদস্যরাও দুর্নীতি করেননি—এমন নিশ্চয়তা দিতে পারবেন কি না, সেই চ্যালেঞ্জও জানিয়েছেন তিনি।সম্প্রতি এক বক্তব্যে আমির হামজা বলেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়ার পর থেকে নিজের বিবেক ও সজ্ঞানে বলতে পারেন, এই সাড়ে ছয় মাসে সরকারি অর্থের এক টাকারও দুর্নীতি করেননি তিনি। তাঁর দাবি, তাঁর পাশে থাকা সংসদ সদস্যরাও একই কথা বলতে পারবেন।আমির হামজা আরও বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৬৮ জন সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকেও একই ধরনের নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব। তবে বাকি ২১২ জন সংসদ সদস্য দুর্নীতি করেননি—এমন নিশ্চয়তা দিতে পারলে তাঁরা রাজনীতি ছেড়ে দেবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বক্তব্যে দেশের চিনি উৎপাদন ও আমদানিনির্ভরতা নিয়েও কথা বলেন এই সংসদ সদস্য। তাঁর ভাষ্য, দেশে বছরে প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন চিনির চাহিদা রয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলোতে উৎপাদন কম হওয়ায় চাহিদার বড় অংশ মেটাতে বিদেশ থেকে চিনি আমদানি করতে হয়।আমির হামজা বলেন, বন্ধ চিনিকলগুলো চালু করা গেলে দেশে চিনির উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। এতে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা মিলবে।তিনি বলেন, নিজেদের সম্পদ কাজে লাগিয়ে চিনির উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন। তাঁর দাবি, চিনিকলের অধীনে প্রায় ৭২০ বিঘা জমি পড়ে আছে। এত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও কেন বিদেশ থেকে চিনি আমদানি করতে হবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।সরকারের সমালোচনা করে আমির হামজা বলেন, দেশে সার, বীজ, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের উদ্বেগ রয়েছে। তবে এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের যথেষ্ট মনোযোগ দেখা যাচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, বরং দলীয়করণের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা চলছে।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম