প্রিন্ট এর তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকায় যুবককে হত্যা, ডিমলায় লাশ পুঁতে রাখার অভিযোগে মামুন আটক
মোঃ শরিফ বিল্লাহ , উপজেলা প্রতিনিধি ||
ঢাকায় রাকিব ইসলাম (২৫) নামে এক যুবককে হত্যার পর তাঁর মরদেহ নীলফামারীর ডিমলায় এনে বসতভিটার মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগ উঠেছে মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার দুপুরে ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের বসুনিয়াপাড়া এলাকায় অভিযুক্ত মামুনের বসতভিটা খনন করে মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।নিহত রাকিব ইসলাম টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার খাদেমুল ইসলামের ছেলে। তিনি ঢাকার মিরপুর-১০ এলাকার শ্যাওড়াপাড়ায় অনার্সে ভর্তির কোচিং করতে গিয়ে মামুনের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে জানা গেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মেয়েঘটিত একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে রাকিবকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যার দুই দিন পর মরদেহটি একটি বাক্সে করে ঢাকা থেকে ডিমলায় নিয়ে আসেন মামুন। পরে স্বজনদের কাছে বাক্সে পচা মাছ রয়েছে বলে জানিয়ে নিজের বসতভিটার মাটিতে মরদেহটি পুঁতে রাখেন বলে অভিযোগ।এরপর রাকিবকে জীবিত দেখিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি ভিডিও তৈরি করেন মামুন। ওই ভিডিও পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে রাকিবকে আটকে রাখা হয়েছে বলে জানিয়ে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মামুনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর তাঁর বসতভিটায় অভিযান চালানো হয়। পরে মাটি খনন করে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর মরদেহের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।গ্রেপ্তার মামুন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বসুনিয়াপাড়া এলাকার আফসার আলীর ছেলে।পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, কারা এতে জড়িত এবং ঢাকায় হত্যার পর কীভাবে মরদেহ ডিমলায় আনা হয়েছিল—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও তৈরি করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম