প্রিন্ট এর তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে নিজেকেই বদলে ফেললেন বিজয়
বিনোদন ডেস্ক ||
পর্দায় কোনো চরিত্রকে বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরতে অভিনেতাদের অনেক সময় কঠিন শারীরিক প্রস্তুতি নিতে হয়। চরিত্রের প্রয়োজনে কখনও ওজন কমাতে হয়, আবার কখনও বাড়াতে হয়। বদলাতে হয় খাদ্যাভ্যাসও। দক্ষিণী অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডাও এমন কঠিন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন।‘লিগার’ সিনেমায় এমএমএ যোদ্ধার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য নিজেকে পেশিবহুল ও ছিপছিপে করে তুলতে কঠোর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন বিজয়। শুধু ব্যায়াম নয়, চরিত্রের প্রস্তুতিতে কমিয়ে দিয়েছিলেন পানি পান করার পরিমাণও।সাধারণত দিনে চার থেকে ছয় লিটার পানি পান করেন বিজয়। কিন্তু ‘লিগার’-এর শুটিংয়ের আগে ধীরে ধীরে পানি খাওয়ার পরিমাণ কমাতে শুরু করেন তিনি। একপর্যায়ে দিনে মাত্র ১০০ মিলিলিটার পানি পান করতেন এই অভিনেতা। এমনকি শুটিংয়ের আগে টানা প্রায় ১০ ঘণ্টা পানি না খেয়েও থাকতে হয়েছে তাকে।চরিত্রটিকে পর্দায় বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতেই এমন কঠিন প্রস্তুতি নিতে হয়েছিল বলে জানান বিজয় দেবেরাকোন্ডা।
তীব্র তৃষ্ণার সময় কী করতেন বিজয়? অভিনেতার কথায়, পানি পান করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত বরফের টুকরো মুখে রেখে তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা করতেন তিনি। তবে এই প্রক্রিয়া মোটেই সহজ ছিল না এবং স্বাস্থ্যকরও নয় বলে স্বীকার করেছেন বিজয়।
শরীরে পানির পরিমাণ কমে যাওয়ায় শুটিংয়ের সময় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠত। চার ঘণ্টার শুটিং শেষ হওয়ার অপেক্ষায় থাকতেন তিনি। কখন শুটিং শেষ হবে এবং কখন জল পান করতে পারবেন, সেটিই হয়ে উঠত তার প্রধান চিন্তা।
এ জন্য শুটিং শেষ হওয়ার আগেই নিজের টিমকে ডাবের পানি প্রস্তুত রাখতে বলতেন বিজয়। শুটিং শেষ হওয়ার পর একসঙ্গে প্রায় চার লিটার ডাবের পানি পান করতেন বলেও জানান তিনি।
অভিনেতা আরও জানান, শুটিং চলাকালীন আড়াই ঘণ্টা পার হলেই কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য টিমকে তাগাদা দিতে শুরু করতেন। কারণ তখন তার একমাত্র অপেক্ষা ছিল শুটিং শেষ করে পানি পান করা।
২০২২ সালের ‘লিগার’ ছবিতে এমএমএ যোদ্ধার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। ছবিটির মাধ্যমে হিন্দি সিনেমাতেও অভিষেক হয় তার। চরিত্রের জন্য তার এই কঠোর প্রস্তুতি অভিনেতাদের পর্দায় একটি চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে কতটা শারীরিক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়, তারই উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম