প্রিন্ট এর তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
নওগাঁয় অসময়ে আমের জমজমাট বাজার
মো: রিজওয়ান হোসাইন, নওগাঁ প্রতিনিধি ||
আমের মৌসুমের সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও আমের রাজধানী হিসেবে প্রসিদ্ধ নওগাঁর সাপাহার ও পোরশার কোন কোন স্থানে " কাটিমন "-- আমের জমজমাট বাজার লক্ষ করা যায়। উচ্চদামে এই কাটিমন জাতের বাজারে বিক্রয় হচ্ছে। এই অসময়ে উচ্চ দাম দাম পেয়ে আম চাষির ভাইয়েরা বর্তমানে বেজায় খুশি। এতে প্রায় সারা বছরই কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়ে খেটে-খাওয়া দিনমজুর জনগোষ্ঠীর আয় রোজগারের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে আম চাষি ভাই য়েরা বলেন, সঠিক সময়ে সার, কীটনাশক প্রয়োগ ও নিয়মিত পরিচর্যা করলে কাটিমন গাছে অফ-সিজনেও ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব। অন্য সময়ের তুলনায় এই অসময়ে আমের দাম বেশি হওয়ায় লাভের পরিমাণ ও তুলনামূলক বেশি হয়ে থাকে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ২৫৫ হেক্টর জমিতে কাটিমন আমের চাষ হয়েছে। হেক্টরপ্রতি ১২ থেকে ১৫ টন ফলন ধরে চলতি মৌসুমে ৩ হাজার ৬০ থেকে ৩ হাজার ৮২৫ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি কাটিমন আম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা এবং পাইকারি বাজারে প্রতি মণ ৪ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কৃষি বিভাগের হিসাবে, চলতি মৌসুমে প্রায় ৫৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকার কাটিমন আম বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) রেজাউল করিম বলেন, আধুনিক জাত 'কাটিমন' ও কৃষকদের সঠিক পরিচর্যার ফলে আম শুধু গ্রীষ্মকালেই উৎপাদন হবে এ ধারণা দিন দিন পাল্টে যাচ্ছে। অফ-সিজন আম চাষে কৃষি বিভাগ প্রযুক্তিগত সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করছেন। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও চাঙ্গা ও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।অসময়ে সাপাহার - পোরশার বাজারে আম, এ যেন অসময়ে এক পশলা বৃষ্টির মতো আশ্চর্যজনক।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম