প্রিন্ট এর তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী, অংশ নেবেন যেসব কর্মসূচিতে
ডেস্ক নিউজ ||
বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে অংশ নিতে ফেনীর পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে গুলশানের বাসভবন থেকে ফেনীর উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, এক দিনের সফরে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ, রুফটপ সোলার বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার কার্যক্রম এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ।সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘাটঘর-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ উদ্বোধন করবেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।পরে দুপুর সোয়া ১টার দিকে পরশুরাম থেকে ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে যাবেন। সেখানে দুপুর দেড়টায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।দুপুর ২টার দিকে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় গিয়ে রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এরপর সেখানে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম শেষে বিকাল ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।ওই অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের পুরোহিতদের সম্মানী প্রদান করা হবে।সফর শেষে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সড়কপথে ফেনী ত্যাগ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।পরশুরামে উদ্বোধন হতে যাওয়া মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। গত ১৬ জুন একনেকের সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।সরকার গঠনের পর ফেনীতে প্রধানমন্ত্রীর এটিই প্রথম সফর। এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সফরটি হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা স্থগিত করে ১ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম