প্রিন্ট এর তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডোমারে স্বামীর ২য় বিয়েতে বাঁধা দেওয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত
মোঃ শরিফ বিল্লাহ , উপজেলা প্রতিনিধি ||
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার আমবাড়ীতে প্রবাস ফেরত স্বামীর ২য় বিয়েতে বাঁধা প্রদান করায় স্ত্রীরে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী এবং ২য় স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি উপজেলার গোমনাতী ইউনিয়নের দক্ষিণ আমবাড়ী পশ্চিমপাড়া গ্রামে। ভুক্তভোগী গৃহবধুর অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উক্ত গ্রামের মমতাজ উদ্দিনের ছেলে প্রবাসী পারভেজ হাচানের সাথে বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের নওদাবস গ্রামের রফিকুল ইসলামের কন্যা ময়না বেগমের ২০০৬ সালে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। সংসার জীবনে তাদের ৩টি সন্তান রয়েছে। বিগত ২০২৪ সালে পারভেজ হাচান চাকুরির সুবাদে সৈদি আরবে পারিদেয়। সেই থেকে পারভেজ হাচানের সাথে গোমনাতী কলেজপাড়া এলাকার রাসেল আহম্মেদের স্ত্রী ২ সন্তানের জননী এবং গোমনাতী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা সেলিনা আক্তার সুমি’র সাথে পরকিয়া প্রেমে লিপ্ত হয়। গত ৯ জুলাই পারভেজ সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসে এবং গোপনে বড় স্ত্রী ময়নার অনুমোতি ছাড়াই ২৩ জুলাই স্কুল শিক্ষিকা সুমিকে বিয়ে করে। সেই থেকে নেমে আসে ময়নার সংসারে সংসারে অশান্তি। গত ১৫ সেপ্টেম্বর পারভেজ ২য় স্ত্রী সুমিকে তার নিজ বাড়ীতে নিয়ে গেলে। সেই থেকে ২ স্ত্রী নিয়ে চরম বিপদে পড়ে পারভেজ। এরই ধারাবিহিকতায় ঘটনার দিন ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে পারভেজ ও সুমি মিলে ময়নাকে বেধরক মারপিট করে বলে অভিযোগ করেন ময়না। সংবাদ পেয়ে ময়নার ভাই ও ভাবী তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এবিষয়ে জানতে চাইলে পারভেজ এবং সুমি মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, সামান্য ঝগড়া হয়েছে মাত্র, মারপিটের কোন ঘটনা ঘটেনি। নির্যাতনের বিষয়ে শাস্তির জোর দাবী জানান ভুক্তভুগি ময়না বেগম।
প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম