শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

নবম পে স্কেল নিয়ে সুখবর


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| ফটো কার্ড

 নবম পে স্কেল নিয়ে সুখবর

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে আবারও সরকারি পর্যায়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব বর্তমানে চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে।

সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আগামী সপ্তাহে অথবা আগস্টের শেষ দিকে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলে পরবর্তী ধাপে প্রজ্ঞাপন জারির উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে নতুন পে স্কেল কার্যকরের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

বাস্তবায়নে বড় বাধা অর্থের জোগান

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এর আর্থিক প্রভাব। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়লে রাষ্ট্রীয় ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পে স্কেল বাস্তবায়নে কিছুটা সময় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

তবে সরকার এটি পুরোপুরি স্থগিত না করে দেশের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে। একবারে পুরো বেতন কাঠামো কার্যকর করার পরিবর্তে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

 সর্বনিম্ন বেতন হতে পারে ২০ হাজার টাকা

২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল চালুর পর প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেলেও নতুন কোনো জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হয়নি। এর মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় নতুন পে স্কেলের দাবি জোরালো হয়েছে।

২০২৫ সালের জুলাইয়ে নবম পে কমিশন সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। সেখানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।

সুপারিশ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

বিশেষ কমিটির পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২১ এপ্রিল নবম পে স্কেলের সুপারিশ পুনর্মূল্যায়নে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির পর্যালোচনা ও সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন বেতন কাঠামোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা।

প্রস্তাবিত কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। ফলে অতিরিক্ত ব্যয় সামলাতে রাজস্ব আদায় বাড়ানো এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় আরও শৃঙ্খলা আনার প্রয়োজন হবে।

এদিকে নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রত্যাশাও বাড়ছে। প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় কবে উঠবে, অনুমোদনের পর কখন প্রজ্ঞাপন জারি হবে এবং শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বেতন কাঠামো কার্যকর হবে—এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নবম পে স্কেল নিয়ে সুখবর

প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে আবারও সরকারি পর্যায়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব বর্তমানে চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে।

সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আগামী সপ্তাহে অথবা আগস্টের শেষ দিকে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলে পরবর্তী ধাপে প্রজ্ঞাপন জারির উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে নতুন পে স্কেল কার্যকরের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

বাস্তবায়নে বড় বাধা অর্থের জোগান

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এর আর্থিক প্রভাব। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়লে রাষ্ট্রীয় ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পে স্কেল বাস্তবায়নে কিছুটা সময় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

তবে সরকার এটি পুরোপুরি স্থগিত না করে দেশের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে। একবারে পুরো বেতন কাঠামো কার্যকর করার পরিবর্তে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

 সর্বনিম্ন বেতন হতে পারে ২০ হাজার টাকা

২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল চালুর পর প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেলেও নতুন কোনো জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হয়নি। এর মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় নতুন পে স্কেলের দাবি জোরালো হয়েছে।

২০২৫ সালের জুলাইয়ে নবম পে কমিশন সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। সেখানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।

সুপারিশ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

বিশেষ কমিটির পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২১ এপ্রিল নবম পে স্কেলের সুপারিশ পুনর্মূল্যায়নে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির পর্যালোচনা ও সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন বেতন কাঠামোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা।

প্রস্তাবিত কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। ফলে অতিরিক্ত ব্যয় সামলাতে রাজস্ব আদায় বাড়ানো এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় আরও শৃঙ্খলা আনার প্রয়োজন হবে।

এদিকে নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রত্যাশাও বাড়ছে। প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় কবে উঠবে, অনুমোদনের পর কখন প্রজ্ঞাপন জারি হবে এবং শেষ পর্যন্ত কী ধরনের বেতন কাঠামো কার্যকর হবে—এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream