বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট প্রস্তাবনা’ ঘোষণা করেছে। প্রস্তাবিত এ বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।
মঙ্গলবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলের পক্ষ থেকে এই বিকল্প বাজেট উপস্থাপন করেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও গণভোট ইস্যু নিয়ে জনগণের আস্থা নষ্ট হয়েছে। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা না থাকলে বাজেট বাস্তবায়ন কার্যকর হয় না।
তিনি আরও দাবি করেন, বাজেটকে কোনো দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিবেচনা করা উচিত। তার মতে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে সরকারি বাজেট বাস্তবায়নেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্থবছর জুলাই-জুন হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে প্রকল্প বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি হয় এবং শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে কাজ সম্পন্ন করার প্রবণতা দেখা যায়, যা অনেক ক্ষেত্রে অনিয়মের সুযোগ তৈরি করে।
তিনি বাজেট প্রক্রিয়ার সংস্কারের প্রস্তাব দিয়ে অর্থবছর ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে সমন্বয় করার আহ্বান জানান।

