সৈয়দ আমিরুজ্জামান
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে না থেকেও নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামের মাধ্যমে আদর্শিক রাজনীতির বাতিঘর হয়ে থাকেন। ক্ষমতার অলিন্দে তাঁদের বিচরণ নেই, নেই বিত্ত-বৈভবের প্রদর্শনী; তবুও ইতিহাসের গভীর পাতায় তাঁদের নাম লেখা থাকে সংগ্রামের অক্ষরে। বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আসাদুল্লাহ তারেক তেমনই একজন মানুষ। শোষণ-বৈষম্যমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মানের স্বপ্নে আজীবন অবিচল এই রাজনীতিকের জীবনপথ একদিকে যেমন ত্যাগের, অন্যদিকে তেমনি আপসহীনতার অনন্য দলিল।
আজ ২০ জানুয়ারি তাঁর জন্মদিন। ১৯৫৬ সালের এই দিনে কুমিল্লার এক সম্ভ্রান্ত, প্রগতিশীল পরিবারে তাঁর জন্ম। জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত জীবনের দিকে ফিরে তাকালে স্পষ্ট হয়—তিনি এমন এক সময়ের সন্তান, যখন রাজনীতি ছিল আদর্শের, মানুষের মুক্তির এবং সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার এক মহান ব্রত।
শৈশব-কৈশোর ও রাজনীতিতে দীক্ষা
আসাদুল্লাহ তারেকের রাজনৈতিক চেতনার বীজ রোপিত হয় শৈশবেই। মাত্র নয়-দশ বছর বয়সে বাবার মুখে তাঁর নাম প্রথম উচ্চারিত হয় রাজনৈতিক পরিসরে। তখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ষাটের দশকের উত্তাল সময়ে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও অধ্যাপক কমরেড মোজাফফর আহমদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) ছিল শোষণবিরোধী রাজনীতির অন্যতম প্রধান বাহক। সেই ধারার আদর্শেই তিনি ছাত্রজীবনেই নিজেকে যুক্ত করেন বামপন্থী আন্দোলনের সঙ্গে।
ছাত্র ইউনিয়ন ও বাম ধারার রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক বিকাশ ঘটে। একনিষ্ঠ কর্মী থেকে ছাত্রনেতা—এই উত্তরণ ছিল ধারাবাহিক, সংগ্রামনির্ভর ও আত্মত্যাগে পূর্ণ। রাজনীতি তাঁর কাছে কখনোই ক্যারিয়ার ছিল না; বরং তা ছিল মানুষের মুক্তির এক অনিবার্য দায়িত্ব।
মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ : গৌরব ও বেদনার অধ্যায়
১৯৭১ সালের জনগণের মহান মুক্তিযুদ্ধ আসাদুল্লাহ তারেকের জীবনের এক অনন্য অধ্যায়। দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের সামগ্রিক মুক্তির প্রশ্নে তিনি দ্বিধাহীনভাবে অস্ত্র হাতে নিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ন্যাপ, সিপিবি ও বামপন্থী ছাত্রসংগঠন ছাত্র ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত গেরিলা বাহিনীর একজন যোদ্ধা হিসেবে তিনি সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন। সেই সময়কার একটি ছবি চ্যানেল আইসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে, যা তাঁর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ের দৃশ্যমান সাক্ষ্য।
তবুও বাংলাদেশের জনগণের মহান মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় এক নির্মম বৈষম্যের শিকার হন তিনি। নানা জটিলতা, দলীয় রাজনীতির সংকীর্ণতা ও প্রশাসনিক অনীহার কারণে তাঁর নাম মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এই বঞ্চনা শুধু ব্যক্তিগত নয়; এটি হাজারো প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার বেদনাদায়ক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। যাঁরা যুদ্ধ করেছিলেন আদর্শের টানে, কিন্তু স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রের স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
স্বাধীনতার পর রাজনীতি : আদর্শের পতন ও অবিচলতা
স্বাধীনতার পর ন্যাপ ধর্ম, কর্ম ও সমাজতন্ত্রের মূলমন্ত্রে দেশের রাজনীতিতে একটি শক্তিশালী ও গঠনমূলক বিরোধী শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কিন্তু ১৯৬৭ সালের দলভাঙন, ১৯৭০ ও ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে দমন-পীড়ন, হামলা-মামলা, কারাবরণ এবং চরম অর্থনৈতিক সংকট—সব মিলিয়ে ন্যাপ ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে।
পরবর্তী সময়ে কালো টাকা, ব্যবসানির্ভর রাজনীতি ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক চর্চা দেশের রাজনীতিকে গ্রাস করে। জনগণের সামগ্রিক মুক্তির প্রয়োজনে আদর্শিক রাজনীতির সেই ধারাটি প্রায় বিলুপ্তির পথে চলে যায়। অনেক নেতা তখন বৃহৎ দলে যোগ দিয়ে সুবিধাভোগী রাজনীতির পথ বেছে নেন। কিন্তু আসাদুল্লাহ তারেক সে পথে হাঁটেননি। তিনি ‘টার্নকোট’ রাজনীতির লোভ প্রত্যাখ্যান করে আদর্শের সঙ্গে থেকেছেন—যদিও তার মূল্য ছিল নিঃসঙ্গতা ও সীমাহীন ত্যাগ।
আইন পেশা ও ন্যায়বিচারের লড়াই
রাজনীতির পাশাপাশি আসাদুল্লাহ তারেক নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন বিজ্ঞ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী হিসেবে। আইন পেশাকে তিনি কখনোই কেবল জীবিকার মাধ্যম হিসেবে দেখেননি; বরং এটিকে দেখেছেন সামাজিক ন্যায় ও রাজনৈতিক অধিকারের লড়াইয়ের এক শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গেরিলা বাহিনীতে অংশগ্রহণকারী ন্যাপ, সিপিবি ও ছাত্র ইউনিয়নের হাজারো সদস্যের স্বীকৃতির প্রশ্নে তিনি হাইকোর্টে রিটসহ একাধিক আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আজও বহু প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রের স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান বরাবরই স্পষ্ট, দৃঢ় ও আপসহীন।
বর্তমান রাজনীতি ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন
বর্তমানে আসাদুল্লাহ তারেক ঐক্য ন্যাপের কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় নেতা। শোষণমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ, জনগণের প্রকৃত গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাই তাঁর রাজনীতির মূল লক্ষ্য। রাজপথের আন্দোলন হোক কিংবা মতাদর্শিক সংগ্রাম—অন্যায়, নিপীড়ন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তিনি আজও সক্রিয় ও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছেন।
তিনি বিশ্বাস করেন, ক্ষমতার পালাবদল নয়—রাজনীতির আসল কাজ হলো মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে রাষ্ট্র ও আর্থসমাজের কাঠামোগত গুণগত পরিবর্তন। শোষিত-বঞ্চিত মানুষ, শ্রমজীবী শ্রেণি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শক্তিকে সংগঠিত করেই একদিন গণতান্ত্রিক পথে সমাজ বদলানো সম্ভব—এই বিশ্বাসই তাঁকে এখনও লড়াইয়ে অনুপ্রাণিত করে।
উপসংহার
আসাদুল্লাহ তারেক এমন এক রাজনীতিক, যিনি ক্ষমতার মোহে নয়, আদর্শের টানে আমূল-পরিবর্তন অভিমুখী রাজনীতি করেন। তাঁর জীবনের বহু লক্ষ্য আজও অসমাপ্ত, বহু স্বপ্ন এখনও অধরা। তবুও তিনি হাল ছাড়েননি। ইতিহাস হয়তো তাঁকে প্রাপ্য স্বীকৃতি দেয়নি, কিন্তু আদর্শিক সংগ্রামী রাজনীতির ধারায় তিনি এক অনিবার্য নাম।
জন্মদিনে তাঁর প্রতি রইল শ্রদ্ধা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা। পূরণ হোক জনগণের জন্য নিবেদিত তাঁর পুণ্য আকাঙ্ক্ষা, বাস্তবায়িত হোক ন্যায়ভিত্তিক, শোষণমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন।
পরিশেষে, আসাদুল্লাহ তারেকের জন্মদিন উপলক্ষে তাকে উৎসর্গ করে লেখা কবিতা —
অবিচল আলোকবর্তিকা : আসাদুল্লাহ তারেক
সৈয়দ আমিরুজ্জামান |
শব্দের ঝলক নয়, নীরব পায়ের ধ্বনি,
ইতিহাস চলে যায় যাদের নামের গহনে—
তুমি তেমনই এক, আলোহীন দীপশিখা,
ঝড়ে নিভে না, জ্বলে আদর্শের অন্বেষণে।
ক্ষমতার মঞ্চে নয়, কোলাহলের কেন্দ্রে নয়,
তোমার ঠিকানা সংগ্রামের দীর্ঘ পথ,
যেখানে রক্তে লেখা হয় মানুষের অধিকার,
যেখানে মাথা নত নয়—শুধু উঁচু কপাল, দৃঢ় শপথ।
কুমিল্লার মাটিতে জন্ম, প্রগতির ঘ্রাণ,
পঞ্চাশের দশকের ভোরে শিশিরভেজা দিন,
যখন রাজনীতি ছিল স্বপ্নের উচ্চারণ,
যখন মুক্তি মানে ছিল মানুষের স্বাধীন চিন।
বাবার কণ্ঠে শোনা প্রথম সংগ্রামের নাম,
নয়-দশ বছরের চোখে জ্বলে ওঠে আগুন,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তাল প্রাঙ্গণ,
তোমাকে ডাকে—“আসো, ভাঙো শোষণের কুণ্ডলী-বন্ধন।”
ভাসানীর বজ্রকণ্ঠ, মোজাফফরের দীপ্ত যুক্তি,
ন্যাপের লাল পতাকায় খোঁজো মানুষের মুক্তি,
ছাত্র ইউনিয়নের মিছিলে হাত তুলে বলো—
“রাজনীতি পণ্য নয়, এ মানুষের শুদ্ধ প্রতিজ্ঞা।”
ক্যারিয়ার নয়, ক্ষমতার সিঁড়ি নয়,
রাজনীতি তোমার কাছে অঙ্গীকারের নাম,
শ্রমিকের ঘাম, কৃষকের ফাটা পায়ে
তুমি দেখেছো রাষ্ট্রের আসল পরিচয় ও দাম।
একাত্তরের আগুনে যখন পুড়ে যায় দেশ,
তুমি প্রশ্ন করনি—লাভ কী, ক্ষতি কী,
অস্ত্র তুলে নিয়েছো নিঃশব্দ দৃঢ়তায়,
গেরিলার ছায়ায় মিশে গেছে তোমার যুবা দিনগুলি।
ন্যাপ-সিপিবি-ছাত্র ইউনিয়নের কাঁধে কাঁধ,
বনে-ঝোপে, নদী-চরে যুদ্ধের পাঠ,
চ্যানেল আইয়ের পর্দায় ভেসে ওঠে এক ছবি—
নামহীন এক মুক্তিযোদ্ধা, অথচ ইতিহাসে অম্লান সাক্ষাৎ।
কিন্তু স্বাধীনতার পর নির্মম এক অধ্যায়,
স্বীকৃতির তালিকায় তোমার নাম নেই,
রাষ্ট্র ভুলে যায় আদর্শিক যোদ্ধাদের,
যারা যুদ্ধ করেছিল নিঃস্ব হাতে, নির্ভয়ে।
এ বঞ্চনা শুধু তোমার একার নয়,
হাজারো নামহীন বীরের দীর্ঘশ্বাস,
যারা যুদ্ধ করেছিল পতাকার জন্য,
কিন্তু পতাকাই তাদের চিনতে পারল না আজ।
স্বাধীনতার পর রাজনীতির রঙ বদলায়,
কালো টাকার ছায়া পড়ে আদর্শে,
দল ভাঙে, নেতা বদলায়, মূল্যবোধ হারে—
তুমি দাঁড়াও একা, তবু অনমনীয় স্পর্শে।
অনেকে গেল বড় দলে, সুবিধার খোঁজে,
টার্নকোট রাজনীতির উল্লাসে ভেসে,
তুমি বলেছো—“না, আমি থাকবো এখানেই,
যেখানে পরাজয় আছে, কিন্তু আত্মসম্মান আছে।”
ন্যাপ দুর্বল হয়, সংগঠন ক্ষয়ে যায়,
তবু তুমি আদর্শের হাল ধরেই থাকো,
নিঃসঙ্গতার মূল্য দিয়ে শিখিয়েছো—
সংখ্যা নয়, সত্যই ইতিহাস বদলায়, জানো।
আইনের কালো কোটে জড়ানো আরেক লড়াই,
সুপ্রিম কোর্টের বারান্দায় প্রতিধ্বনি তোলে,
ন্যায়বিচার কেবল বইয়ের পাতায় নয়—
মানুষের পক্ষে দাঁড়ানোই আইন, এ বিশ্বাসে চলে।
মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতির দাবিতে রিট,
হাইকোর্টে ওঠে বঞ্চনার দীর্ঘ আর্তনাদ,
তুমি লড়ো তাদের হয়ে, যারা নিজের নাম নয়,
দেশের নাম লিখেছিল রক্তে—নিঃস্বার্থ, নির্লোভ, নিরববাদ।
আজও রাষ্ট্র ভুলে যায় অনেক সত্য,
তুমি মনে করিয়ে দাও—অন্যায় মানেই অপরাধ,
আইনকে করো শোষিতের ঢাল,
শক্তের বিরুদ্ধে দুর্বলের নির্ভীক হাতিয়ার, অনমনীয় প্রতিবাদ।
আজ তুমি ঐক্য ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক,
কিন্তু পদ নয়—দায়িত্বই তোমার পরিচয়,
রাজপথে, বক্তৃতায়, লেখায়—একই কথা,
“গণতন্ত্র মানে কেবল ভোট নয়, শোষণমুক্ত সমাজ।”
তুমি বিশ্বাস করো—ক্ষমতার পালাবদল নয়,
কাঠামো বদলালেই বদলাবে মানুষ, রাষ্ট্র,
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানে কেবল স্মৃতি নয়,
এ এক চলমান সংগ্রাম, প্রতিদিনের বাস্তব পাঠ।
শ্রমিকের শক্তি, কৃষকের সংগঠন,
প্রান্তিক মানুষের ঐক্যেই ভবিষ্যৎ লেখা,
এই বিশ্বাসেই আজও তোমার কণ্ঠে আগুন,
এই বিশ্বাসেই তুমি অনড়, অবিচল, একা।
তোমার অনেক স্বপ্ন এখনও অসমাপ্ত,
অনেক লড়াই এখনও অর্ধেক পথ,
তবু তুমি থামোনি, মাথা নত করোনি,
কারণ ইতিহাস শেষ হয় না—সংগ্রামই তার সত্য।
হয়তো রাষ্ট্র দেয়নি প্রাপ্য পদক,
হয়তো পাঠ্যবই লেখেনি তোমার নাম,
কিন্তু আদর্শিক রাজনীতির দীর্ঘ ধারায়
তুমি এক অনিবার্য অধ্যায়, এক অমোচনীয় দাম।
আজ জন্মদিনে বলি—শুভ হোক তোমার পথচলা,
দীর্ঘ হোক আদর্শের এই নির্ভীক যাত্রা,
শোষণমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক মানবিক বাংলাদেশ—
তোমার স্বপ্ন একদিন হোক আমাদেরই রাষ্ট্রকথা।

সৈয়দ আমিরুজ্জামান
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট;
বিশেষ প্রতিনিধি, ইংরেজি দৈনিক দ্য ফিনান্সিয়াল পোস্ট ও সাপ্তাহিক নতুনকথা;
সম্পাদক, আরপি নিউজ;
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, জাতীয় কৃষক সমিতি;
‘৯০-এর মহান গণঅভ্যুত্থানের সংগঠক ও সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী।
সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়ন।
সাধারণ সম্পাদক, মাগুরছড়ার গ্যাস সম্পদ ও পরিবেশ ধ্বংসের ক্ষতিপূরণ আদায় জাতীয় কমিটি।
প্রাক্তন সভাপতি, বাংলাদেশ আইন ছাত্র ফেডারেশন।
E-mail : syedzaman.62@gmail.com

