ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান জানিয়ে বলেছেন, দুই দেশের পক্ষ থেকেই আস্থার পরিবেশ তৈরির কোনো বাস্তব ইচ্ছা দেখা যাচ্ছে না। নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
গালিবাফ অভিযোগ করেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তিগুলো বারবার লঙ্ঘিত হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা ব্যাহত হচ্ছে। তার মতে, কাগজে-কলমে থাকা সমঝোতাগুলো মাঠপর্যায়ে কার্যকর না থাকায় সেগুলো বাস্তবে অর্থহীন হয়ে পড়ছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের নীতি কখনোই একমাত্র যুদ্ধ বা শুধুই আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী তেহরান প্রতিরোধ ও কূটনীতি—উভয় পথই অনুসরণ করবে।
গালিবাফের ভাষায়, ইরানের মূল লক্ষ্য সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলেও প্রতিপক্ষের ওপর আস্থা রাখা সম্ভব নয়।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কথিত নৌ-অবরোধের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, তেহরান এসব চাপকে কৌশলগতভাবে মোকাবিলা করতে চায় এবং প্রতিপক্ষের জন্য তা ব্যর্থতায় রূপ দিতে চায়।
সব মিলিয়ে তার বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, ইরান একদিকে প্রতিরোধমূলক অবস্থান বজায় রাখবে, অন্যদিকে কূটনৈতিক যোগাযোগও চালু রাখবে—তবে কার্যকর নিশ্চয়তা ছাড়া শুধুমাত্র আলোচনার ওপর নির্ভর করবে না।

