দেশের পাঁচ জেলায় কোরবানির পশুর হাটগুলোতে একদিনেই বিপুল অঙ্কের অর্থ অতিরিক্ত আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ইজারাদারের কর্মীরা সরকারি নির্ধারিত হাসিলের বাইরে গরুপ্রতি অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন বলে জানা গেছে।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার বিভিন্ন হাটে সরকারি হার নির্ধারিত থাকলেও তা অনেক ক্ষেত্রেই মানা হচ্ছে না। খুঁটিতে গরু বাঁধা থেকে শুরু করে হাসিল আদায়—সব ক্ষেত্রেই বাড়তি অর্থ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গরুপ্রতি অতিরিক্ত ৫০০ থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে, যা একদিনেই মিলিয়ে প্রায় শত কোটি টাকার কাছাকাছি দাঁড়ায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও খামারিদের অভিযোগ, অনেক হাটে রশিদ ছাড়াই এই অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। কেউ কেউ এটিকে ঈদের ‘সালামি’ বা ‘বকশিশ’ হিসেবে ব্যাখ্যা করলেও খামারিরা একে জোরপূর্বক আদায় বলে অভিযোগ করেছেন।
এছাড়া পশুবাহী ট্রাক থেকে পথে পথে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। বিশেষ করে হাইওয়ে ও স্থানীয় কিছু স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্যের বিরুদ্ধেও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে, যদিও নির্দিষ্ট ঘটনায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানা গেছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এসব অভিযোগ তারা গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং অনিয়মের সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে এবং হাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনার দাবি জোরালো হয়েছে।

