লঞ্চে ভিড় নেই, কমেছে ভাড়াও

 

 

 

নিজস্ব প্রতিবেধক

পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় কমছে লঞ্চের যাত্রী। ঘোষণা না দিয়ে ভাড়া কমিয়েছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। যাত্রী টানতে যে লঞ্চ যতটা পারছে ভাড়া কমিছে। তবে মালিক সমিতির আশা পদ্মা সেতু দেখার উপলক্ষে শেষ হলে লঞ্চে আবারো যাত্রী বাড়বে।

চিরচেনা ব্যস্ত সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের চেহারাটাই যেন বদলে গেছে এক সপ্তাহে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর কেউ সময় বাঁচাতে কেউবা আবার স্বপ্নের সেতুকে শুধু একনজর দেখতে নৌ-পথ ছেড়ে সড়ক পথে। তাই কমেছে লঞ্চের যাত্রী।

সবচেয়ে বেশি যাত্রী কমেছে ঢাকা থেকে বরিশাল, ঝালকাঠি, ভান্ডারিয়া, বরগুনা, ভোলা ও পটুয়াখালী রুটে। এসব রুটে লঞ্চের ডেকের ভাড়া ৩০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২০০ টাকা নেয়া হচ্ছে। কেবিনের ভাড়াও কমেছে এক তৃতীয়াংশ।

লঞ্চ মালিক সমিতির নেতারা জানান, ভাড়া কমানোর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসলেও যাত্রী আকর্ষণে ভাড়া কমানো হয়েছে। পদ্মা সেতুর প্রভাবে ঈদেও যাত্রীচাপ কিছুটা কম থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন লঞ্চ মালিকরা।

গত ৬ দিনে পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ফেরিঘাট দিয়ে পদ্মা পারাপার কমিয়ে দিয়েছে প্রায় ১০ হাজাররে বেশি পরিবহন। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পরে গাড়ির চাপ কমেছে এই নৌপথে।

ফাঁকা ঘাটে দূরপাল্লার যান কম থাকায় এখন উল্টো গাড়ির জন্য অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে ফেরিগুলোকে। তবে ঈদ উপলক্ষে যাত্রীর সংখ্যা বাড়লে ঘাটের চিত্র পালটে যাবে বলছে বিআইডব্লিউটিসি।

পদ্মা সেতুতে যান চলাচল শুরুর পর থেকে বেশির ভাগ সময়ই ফাঁকা থাকছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথ। দুটি ফেরিঘাটেই আগের মতো গাড়ির চাপ না থাকায় ওই এলাকার হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতেও নেই ভিড়।

গেলো ২০ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথ দিয়ে পদ্মা পারাপার করেছে প্রায় ৪১ হাজাররে বেশি যানবাহন। তবে পদ্মা সেতু চালুর পরের ৬ দিনে এই সংখ্যা নেমে এসেছে ৩০ হাজারে। তবে ঘাট এলাকার চিরচেনা প্রাণচাঞ্চল্য শিগগিরই ফিরবে বলে আশা করছে বিআইডব্লিউটিসি।

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে যানবাহন পরাাপারের জন্য ছোট-বড় মোট ২২টি ফেরি রয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
বিষয়: * ভাড়াও * লঞ্চ