ওয়ানডের মতো টেস্টেও শুরু চায় বাংলাদেশ

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে এই ফরম্যাটের অধিনায়ক তামিম ইকবাল বারবার বলেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ভালো করতে গেলে প্রথম ১৫ ওভার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেঞ্চুরিয়ানে প্রথম ম্যাচে ওই ১৫ ওভার ব্যাটসম্যানরা ভালোভাবে কাটিয়ে দেওয়ায় সহজ হয় বাংলাদেশের জয়। তৃতীয় ম্যাচে প্রথম ১৫ ওভারেই প্রতিপক্ষের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন টাইগার বোলাররা। জোহানেসবার্গে দ্বিতীয় ম্যাচে শুরুর ১৫ ওভার কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ দল, যার মাশুল দিতে হয় ম্যাচ হেরে।

ওয়ানডের পর এবার দুই ম্যাচ সিরিজের টেস্টের লড়াই। যার প্রথম ম্যাচ ডারবানে, আগামী ৩১ মার্চ। এই সিরিজ শুরুর আগেও ম্যাচের শুরুর সময়টাকে প্রাধান্য দিচ্ছে বাংলাদেশ দল। পাঁচ দিনের ম্যাচে প্রথম সেশনই তো বটেই, প্রথম ঘণ্টার ১৫ ওভার চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছে সফরকারীরা।

দলের সঙ্গে থাকা নির্বাচক হাবিবুল বাশার বলেন, ‘আগে ব্যাটিং করলে টপ অর্ডারের পারফরম্যান্স খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানডে সিরিজের মতো এখানেও নতুন বল সামলানো খুব তাৎপর্যপূর্ণ। নতুন বলে উইকেট না হারালে পরের দিকে রান করা সহজ হয়ে যাবে। তাই শুরুর ব্যাটিংটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগে যদি বোলিং করি, একইভাবে শুরুতে উইকেট নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। এমন উইকেটে ব্যাটাসম্যানরা উইকেটে সেট হয়ে গেলে বড় রান করা সহজ হয়ে যায়। তাই আগে বোলিং করি বা ব্যাটিং- প্রথম ইনিংস খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর এবার টেস্ট সিরিজও জয়ের ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী বাশার। পেসাররা দুর্দান্ত ছন্দে থাকায় সেই আত্মবিশ্বাসে বাড়তি রসদ পাচ্ছেন সাবেক এই অধিনায়ক।

হাবিবুল বাশার বললেন, ‘আমাদের পেস বোলিং অনেক বদলে গেছে। তিন পেসারই ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করছে এটা আমরা খুব বেশি দেখিনি। তারা যথেষ্ট বাউন্সও আদায় করে নিতে পারবে। যার জন্য আমাদের সাফল্য ইদানীং বেড়েছে, ফাস্ট বোলারদের নেওয়ার কারণে।’

সঙ্গে যোগ করেন বাশার, ‘আমাদের স্পিনাররা সবসময়ই ভালো। তবে ফাস্ট বোলাররাও এখন উইকেট নিচ্ছে। আমাদের সাম্প্রতিক সাফল্যের পেছনে এটাই বড় কারণ। আমি আশাবাদী, এখানেও তারা সামর্থ্যের সবটুকু প্রমাণ করতে পারবে। কন্ডিশন যেহেতু কঠিন, ফাস্ট বোলারদের ভালো করা জরুরী।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
বিষয়: * ওয়ানডে সিরিজ * তামিম ইকবাল * দক্ষিণ আফ্রিকা
লাইভ রেডিও
সর্বশেষ সংবাদ